Showing posts with label Desh. Show all posts
Showing posts with label Desh. Show all posts
জোটের মাস্টার স্ট্রোক, এক মঞ্চে বুদ্ধ-রাহুল?

জোটের মাস্টার স্ট্রোক, এক মঞ্চে বুদ্ধ-রাহুল?

নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে এসে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং রাহুল গাঁধীকে এক মঞ্চে হাজির করে এ বার মাস্টার স্ট্রোক দিতে চাইছে জোট-শিবির।
প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রে খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৭ এপ্রিল পার্ক সার্কাস ময়দানের সভায় হাজির থাকবেন ওই দুই নেতা। সিপিএমের তরফে জানানো হয়েছে, বুদ্ধদেববাবু ওই সভার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন।
জোট প্রার্থীদের সমর্থনে ভোটপ্রচারে দু’পক্ষের শীর্ষ নেতৃত্বকে এক মঞ্চে হাজির করতে গোড়া থেকেই তত্পর হয়েছিল কংগ্রেস। প্রথম দিকে বামেদের তরফে তেমন একটা উত্সাহ দেখানো হয়নি। তবে, পরের দিকে জোট প্রার্থীদের প্রচারে কংগ্রেসের পাশে বাম নেতৃত্বকে দেখা গিয়েছে। এর আগে বংশগোপাল চৌধুরী বা গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায়ের মতো নেতাকে দেখা গিয়েছে রাহুলের বর্ধমানের সভায়। তাঁর বসিরহাটের সভায় দেখা গিয়েছে সিপিএম সাংসদ ঋতব্রত ভট্টাচার্যকেও। তবে, একই সভায় বুদ্ধদেববাবু এবং রাহুলের উপস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে যে অন্য মাত্রা এনে দেবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
গোড়া থেকেই বুদ্ধদেববাবু জানিয়েছিলেন, তিনি এ বারের প্রচারপর্বে অংশ নেবেন না। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দলীয় কর্মীদের অনুরোধ সযত্নে সরিয়েও দিয়েছিলেন। একমাত্র ব্যতিক্রম গত ১৯ তারিখ ‘রোড-শো’। কসবা, টালিগঞ্জ এবং যাদপুরের জোটপ্রার্থীর সমর্থনে ওই রোড শোতে অংশ নেন তিনি। ঢাকুরিয়া থেকে গড়িয়া পর্যন্ত সেই রোড-শোতে কয়েক হাজার বাম কর্মী-সমর্থককে দেখা যায়।
২০০-র দাবি সূর্যর, ফুত্‍‌কারে ওড়ালেন মমতা

২০০-র দাবি সূর্যর, ফুত্‍‌কারে ওড়ালেন মমতা

কংগ্রেসের সঙ্গে জোট হওয়ার পরেই রাজ্যে পালাবদল নিয়ে আশাবাদী হয়ে ওঠেন সূর্যকান্ত মিশ্র। সোমবার চতুর্থ দফা ভোটশেষে সিপিএমের সেই নেতাই, জোটের অন্যতম কান্ডারি, জোর গলায় দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাস্ত করে, জোট আসছে ক্ষমতায়। সেই সূত্রেই তাঁদের লক্ষ্য যে ২০০, তা স্পষ্ট করেন। দাবি করেন, একশো আসন আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। 

'সন্ত্রাস' 'হুমকি'কে উপেক্ষা করে জোটকে ভোট দেওয়ার জন্য, বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানাতেও ভোলেননি সিপিএমের এই নেতা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সূর্যকান্ত বলেন, এ বারের ভোটটা শাসকদলের সঙ্গে নির্বাচকমণ্ডলীর। আমাদের লক্ষ্য এখন ২০০। 

বাম নেতার দু'শোর দাবি, ফুত্‍‌কারে উড়িয়ে দেন শাসকদলের সাংসদ মুকুল রায়। তাঁর পালটা কটাক্ষ, সূর্যবাবুরা যদি ২০০ আসনই পান, তা হলে কমিশনে এত এত অভিযোগ করছেন কেন?




মুকুলের দাবি, সূর্যকান্ত মিশ্র নিজেই হারবেন। তাঁর সঙ্গে তাঁর দলও পরাস্ত হবে। জোটের দু'শোর আশা উড়িয়ে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দাবি, নিরঙ্কুশ সংখ্যগরিষ্ঠা পেয়ে তৃণমূলই আবার রাজ্যের শাসন ক্ষমতায় ফিরবে। 

অন্য দিকে, পাটুলির সভায় এদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, চতুর্থদফা পর্যন্ত যা ভোট হয়েছে, তাতে আমরাই সরকার গড়ব। বাকি দুটি দফায় বিরোধীদের সঙ্গে ব্যবধান আরও বাড়বে। তাঁর দাবি, গতবারের থেকে আসন আরও বাড়বে। 

দীর্ঘসময় ধরে ভোট করানোর জন্য এদিন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন শাসকদলের সুপ্রিমো।
আরও বিপাকে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার পুলিশে অভিযোগ প্রকাশ কারাটের

আরও বিপাকে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার পুলিশে অভিযোগ প্রকাশ কারাটের

ছবি-বিতর্কে আরও বিপাকে পড়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার ডেরেক ও’ব্রায়েনের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন সিপিএম নেতা প্রকাশ কারাট।
নারদের পাল্টা দিতে গিয়ে শনিবারই বড়সড় বিপাকে পড়ে গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার সেই বিপদ আরও বাড়ল। দিল্লির মন্দিরমার্গ থানায় এদিন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সিপিএম-এর প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাটের দাবি, ডেরেক ও’ব্রায়েন যা করেছেন, তা আদতে সাইবার ক্রাইম। সেই অনুযায়ী যেন তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়। কারাটের বক্তব্য, রাজনাথ সিংহের সঙ্গে তাঁর কখনও দেখা হয়নি। এই ধরনের ছবি প্রচার করে তৃণমূল কংগ্রেস জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বলে দাবি প্রকাশ কারাটের। বিরোধীদের বক্তব্য, স্রেফ কার্টুন শেয়ার করার অপরাধে যদি অম্বিকেশ মহাপাত্রকে গ্রেফতার করা হয়, তা হলে ডেরেক ও’ব্রায়েনকে ছেড়ে দেওয়া হবে কেন?

জাল ছবি দেখিয়ে ডেরেক জড়িয়ে দিলেন দিদিকেও

জাল ছবি দেখিয়ে ডেরেক জড়িয়ে দিলেন দিদিকেও

একের পরে এক অস্বস্তি বেড়েই চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। এবার নতুন বিতর্ক। আর সেটা তৈরি করলেন দলের জাতীয় মুখপাত্র স্বয়ং।
নারদ-কাণ্ডের ভিডিও’কে যিনি ‘জাল’ বলে দাবি করেছিলেন, সেই ডেরেক ও’ব্রায়েনই জড়িয়ে গেলেন ‘জাল ছবি’র কারবারে!
তৃণমূলের ‘পোস্টারবয়’ ডেরেকের লক্ষ্য ছিল নির্বাচনের সময় বিজেপি-সিপিএমের ‘ঘনিষ্ঠতা’ প্রমাণ করে বিরোধীদের ‘চাপে’ ফেলা। ঘটনাপ্রবাহে প্রমাণিত হয়, কম্পিউটারের ‘ফটোশপে’ ছবি ‘জাল’ করা হয়েছে। অতঃপর তড়িঘড়ি ভুল প্রকাশ করা হয় শাসকদলের তরফে। গোটা ঘটনার ‘দায়’ চাপানো হয়েছে তৃণমূলের ‘রিসার্চ টিমে’র উপর! বিজেপি অবশ্য তার আগেই পুলিশের কাছে অভিযোগ করার কথা জানিয়ে দিয়েছে। দাবি উঠেছে ডেরেকের গ্রেফতারি এবং রাজ্যসভার সাংসদপদ থেকে ইস্তফারও।
গোটা ঘটনায় প্রবল ‘বিড়ম্বনা’য় শাসকদল। কোনও ‘দায়িত্বশীল’ নেতাই ওই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে চাননি।

শনিবার সকালে ডেরেক তাঁর বাড়িতে একটি সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন। তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি সাংবাদিক বৈঠকটি ডেকেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই! সেখানে ডেরেক অভিযোগ করেন, সিপিএম-কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপি’র ‘আঁতাঁত’ রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণে দু’টি ‘ভিডিও ক্লিপিং’ এবং ছ’টি ছবি দেখান ডেরেক। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কেরলে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গাঁধী বলছেন, ‘‘বামপন্থীরা যে মতাদর্শে বিশ্বাস করেন, তা এখন অচল।’’
এরপর এ রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে আসা রাহুলের বক্তৃতার একটি ভিডিও ফুটেজ দেখান ডেরেক। সেখানে দেখা যায়, বাম-কংগ্রেস জোটের হয়ে ভোট চাইছেন রাহুল। ভিডিও ফুটেজ দু’টি দেখানোর পর রাহুলকে কংগ্রেসের ‘আশ্চর্য বালক’ বলে কটাক্ষ করেন ডেরেক। রাহুলের উদ্দেশে তির্যক মন্তব্য করেন, ‘‘বড় বড় কথা বলে মানুষকে ঠকানোর চেষ্টা করছেন!’’
এরপর ডেরেক টিভি’র পরদায় স্থিরচিত্রগুলি দেখান। একটি ছবিতে দেখা যায়, হাতে গ্লাস নিয়ে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কংগ্রেস সভাপতি সনিয়া গাঁধী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আরেকটি ছবিতে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ মুখোমুখি কথা বলছেন। তৃতীয় ছবিতে দেখা যায়, সীতারাম কথা বলছেন বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণীর সঙ্গে। চতুর্থ ছবিটিতে দেখা যায়, সিপিএমের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাটের মুখে লাড্ডু গুঁজে দিচ্ছেন রাজনাথ। পিছনে জ্বলজ্বল করছে বিজেপির নির্বাচনী প্রতীক পদ্মফুল। একগাল হাসি এবং মুখে কটাক্ষ নিয়ে ডেরেক বলেন, ‘‘এই ছবিটা আমার সবচেয়ে পছন্দ!’’
বিরাট পদ্মফুলের ছবির সামনে রাজনাথের হাত থেকে কারাটকে লাড্ডু খেতে দেখে ভ্রূ কোঁচকান অনেক সিপিএম নেতাই। ওই ছবি কয়েক মুহূর্তে ‘ভাইরাল’ হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। গুঞ্জন তৈরি হয় রাজ্য-রাজনীতিতে।



সন্ধ্যার পরেই ‘রহস্য’ ফাঁস করেন বিজেপি’র কেন্দ্রীয় নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিংহ। তিনি এক টিভি চ্যানেল মারফত একটি ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, কারাটকে লাড্ডু খাওয়ানোর যে ছবিটি ডেরেক দেখিয়েছেন, সেটি পুরোপুরি ‘জাল’। সিদ্ধার্থনাথ এবং ডেরেকের দেখানো ছবি দু’টি হুবহু এক। ফারাক শুধু এক জায়গাতেই— সিদ্ধার্থনাথের দেখানো ছবিতে কারাটের জায়গায় নরেন্দ্র মোদী। সিদ্ধার্থনাথ জানান, ওই ছবিটি তোলা হয়েছিল ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। যেদিন মোদীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছিল বিজেপি। আদতে ছবিটি তোলা নয়াদিল্লিতে বিজেপি’র কেন্দ্রীয় দফতরে।
সিদ্ধার্থনাথ আরও জানান, ছবিটিতে মোদীর মুখ সরিয়ে কারাটের মুখ ‘ফটোশপ’ করে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। বস্তুত, দু’টি ছবির মধ্যে পার্থক্য বলতে দু’টি মুখেরই। পোশাক এক। আবহ এক। এমনকী, দু’জন ব্যক্তিত্বের মধ্যে দাঁড়িয়ে-থাকা নিরাপত্তারক্ষীও এক! এর পরেই ডেরেকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার হুমকি দেন সিদ্ধার্থনাথ। দ্রুত তৃণমূল তথা ডেরেকের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় শুরু হয় বঙ্গ-রাজনীতিতে। নয়াদিল্লি থেকে বিবৃতি দেন কারাটও। যেখানে তিনি বলেন, ‘‘রাজনাথের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ এখনও পাইনি। এটা একটা আদ্যন্ত নকল ছবি!’’

তার কিছুক্ষণের মধ্যেই তৃণমূলের সরকারি টুইটার হ্যান্ডলে লেখা হয়— ‘সাংবাদিক বৈঠকে দু’টি ভিডিও এবং ছ’টি ছবি দেখানো হয়েছিল। একটি ছবি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ছবিটি যে আদতে ফটোশপের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল, তা জানার পরই তৃণমূলের রিসার্চ টিমের সদস্যেরা সেটি সরিয়ে নিয়েছেন।’ রাতে ডেরেক তাঁর ফেসবুকে একটি ভিডিও আপলোড করেন। সেখানে তিনি টুইটারে দেওয়া বিবৃতির পাশাপাশি সরাসরি ‘ভুল’ স্বীকার করেছেন। এবং বলেছেন, ‘আমরা সম্মানজনকভাবে আমাদের ভুলটা সংশোধন করেছি। কিন্তু একজন ক্যুইজমাস্টার হিসাবে আমার এবং আমার রিসার্চ টিমের আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল। আমাদের এই ভুলটা করা উচিত হয়নি’।
কিন্তু ততক্ষণে কেলেঙ্কারি যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। নারদ-ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর তাকে ‘জাল’ বলে দাবি করেছিলেন মমতা-সহ দলের শীর্ষনেতৃত্ব। সেই তৃণমূলেরই এক সাংসদ-নেতা সাংবাদিক বৈঠকে ঘটা করে একটি ‘জাল’ ছবি দেখানোয় রাজনীতির কারবারিদের একাংশের মধ্যে হাসাহাসি শুরু হয়। একান্ত আলোচনায় শাসকদলের নেতাদের কয়েকজনও বলে ফেলেন, ‘অবিবেচকের মতো’ এবং ‘শিশুসুলভ’ কাজ করেছেন ডেরেক। এক নেতার কথায়, ‘‘যতটা উঁচুতে উড়ছিলেন ডেরেক, ততটাই নীচে নেমে এসেছেন। অতি চালাকের গলায় দড়ি!’’
প্রসঙ্গত, ডেরেক এদিন জানিয়েছিলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই সাংবাদিক বৈঠকটি ডেকেছেন। ফলে গোটা ঘটনাটির সঙ্গে ডেরেক জড়িয়ে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকেও। তাঁর ওই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতৃত্ব। নির্বাচন যখন ‘গুরুত্বপূর্ণ’ পর্যায়ে, তখন ডেরেকের এই ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ কাজ মুখ্যমন্ত্রীর উপর ‘চাপ’ আরও বাড়াবে বলেই ধারণা তাঁদের। সে যতই ডেরেক তৃণমূলের ‘রিসার্চ টিমে’র উপর ‘দায়’ চাপিয়ে সাধু সাজার চেষ্টা করুন না কেন! 
হিংসা রুখতে চরম হুমকি

হিংসা রুখতে চরম হুমকি

আগামিকাল , সোমবার রাজ্যে পঞ্চম দফার ভোট৷ তার দু'দিন আগে পুলিশ ও ভোটকর্মী -সহ রাজ্য প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন৷ নজিরবিহীন ভাবে দিল্লির নির্বাচন কমিশন থেকে রীতিমতো প্রেস বিবৃতি জারি করে শনিবার জানানো হয়েছে , অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে ব্যর্থ হলে , রাজ্যে ভোটের বাকি তিন পর্বে হিংসা থামাতে না -পারলে এবং হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর দ্রুত আইনি ব্যবস্থা না -নিলে দায়িত্বে থাকা অফিসারদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে৷ নবান্নের শীর্ষকর্তাদের ব্যাখ্যা , এই বক্তব্যের অর্থ, ভোটের কাজে গাফিলতি কিংবা দলদাসত্বের নজির সামনে এলে এ বার সরাসরি দাগ পড়বে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সার্ভিসবুকে৷


কমিশন জানিয়ে দিয়েছে , আগামী তিন পর্বে পুলিশ কর্তৃপক্ষ ও গোটা নির্বাচন মেশিনারিকে হিংসা থামিয়ে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতেই হবে৷ প্রতিটি থানা এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ কমিশন এই হুমকিও দিয়েছে , ভোটের আগে , নির্বাচনের সময় ও পরে যে হিংসা হয়েছে ও হবে , তার উপর তারা কড়া নজর রেখেছে এবং রাখবে৷ অপরাধীরা যে দলের সঙ্গেই যুক্ত হোক না কেন , তাদের ছাড়া হবে না৷ পুলিশ ও রাজ্য প্রশাসন সময় নষ্ট না -করে এ ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে৷ হিংসা থামাতে ব্যর্থ হলে কমিশন যে ভাবে অফিসারদের শাস্তি দেওয়ার কথা বলেছে , তা অভূতপূর্ব৷ অতীতে এ ভাবে কোনও অফিসারকে শাস্তি দেয়নি বা দেওয়ার কথা সাধারণত বলেনি কমিশন৷ এই ধরনের ব্যবস্থা অন্য কোনও রাজ্যের ক্ষেত্রে কমিশন সচরাচর নেয় না৷ এমনকি , রাজ্যেও এর আগে যে চার দফায় ভোট হয়েছে , সেখানেও এ রকম কথা বলতে শোনা যায়নি নাসিম জাইদিদের৷ কিন্ত্ত যথেষ্ট পরিমাণ ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও গত পর্বে নির্বাচন চলাকালীন ও তার পরে হিংসায় চার জন মারা গিয়েছেন৷ কমিশন সমালোচনার মুখে পড়ায় জাইদি এই চরম ব্যবস্থাটাই নিলেন৷

কমিশন সূত্র বলছে , ২১ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোটের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন৷ এ দিন দিল্লির নির্বাচন সদন থেকে জারি করা এক প্রেস বিবৃতিতে কমিশনের অধিকর্তা ধীরেন্দ্র ওঝা স্পষ্ট করে দিয়েছেন , সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের ব্যাপারে পান থেকে চুন খসলে আর রেয়াত করা হবে না সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের৷ সেটা সরাসরি কর্তব্যে অবহেলা হিসেবেই বিবেচিত হবে এবং সে গাফিলতির প্রভাব পড়বে তাঁদের চাকরির ক্ষেত্রেও৷ পুলিশ প্রশাসন , সাধারণ প্রশাসন , এমনকি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্তা-আধিকারিকরাও এর আওতার বাইরে নয় বলে সাফ জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে৷ কাল রাজ্যে পঞ্চম দফার ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে মরিয়া কমিশন আরও একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷

পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানো , কঠোর ভাবে ১৪৪ ধারা কার্যকর করা , কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি বাড়ানো , কোথায় কোথায় টহলদারি হবে তা নিয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সিদ্ধান্তই চড়ান্ত বিবেচনা করা এবং স্পর্শকাতর ও ঝামেলাপ্রবণ এলাকায় বিশেষ টহলদারির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ শুধু ভোট নয় , নির্বাচন -পরবর্তী হিংসা ঠেকাতেও কমিশন কড়া বার্তা দিয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে৷ প্রতিটি ঘটনার উপর কমিশনের কড়া নজর রয়েছে জানিয়ে এ ব্যাপারে তাঁদের আরও দায়বদ্ধ করতে চেয়েছে কমিশন৷ তৃতীয় দফার ভোটের আগেই রাজ্যে এসে কমিশনের ফুল বেঞ্চ ডিজি -কে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিল , এই মুহূর্তে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৮ -এ ধারায় ডিজি কমিশনের ডেপুটেশনে রয়েছেন এবং রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় অঘটনের দায় প্রত্যক্ষ ভাবে তাঁর৷ কলকাতার পুলিশ কমিশনারের পাশাপাশি পাঁচ জন এসপি , চার জন ডিএম -কে অপসারণ করিয়েও ক্ষান্ত হয়নি কমিশন৷

দুই জেলার যে ৪৯টি কেন্দ্রে কাল ভোট , শনিবার সন্ধ্যা ছ 'টা থেকেই সেখানে ১৪৪ ধারা জারি হয়ে গিয়েছে৷ যে দুই জেলায় ভোট , সেই হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশ পর্যবেক্ষক৷ দুই জেলাতেই এ যাবত্ একজন করে পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন৷ রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দিব্যেন্দু সরকার এ দিন বলেন , হাওড়ায় এ বার দু'জন এবং উত্তর ২৪ পরগনায় তিন জন পুলিশ পর্যবেক্ষক থাকবেন৷ হাওড়ায় রবি ভার্মাকে এবং উত্তর ২৪ পরগনায় প্রমোদ ভামরে এবং পি রামজিকে আনা হচ্ছে৷ সূত্রের খবর , কলকাতা উত্তরে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে ভালো কাজ করার জন্য প্রমোদকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বিধাননগর , রাজারহাট -নিউ টাউন ও রাজারহাট -গোপালপুর বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে৷ গত বিধাননগর পুরভোটে এই তিন এলাকায় শাসক দল গায়ের জোরে ভোট করিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল৷ হাওড়ার শহর এলাকার জন্য ৭৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৩ হাজার রাজ্য পুলিশ এবং গ্রামীণ এলাকার জন্য ১৫২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৫ হাজার রাজ্য পুলিশ ইতিমধ্যেই মোতায়েন হয়ে গিয়েছে৷ তারা এলাকায় এলাকায় টহল দিচ্ছে৷

উত্তর ২৪ পরগনাতেও একই ছবি৷ ব্যারাকপুর কমিশনারেট এলাকায় ১৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৫০০০ রাজ্য পুলিশ থাকছে৷ বিধাননগর কমিশনারেট এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে ৫১ কোম্পানি এবং রাজ্য পুলিশ ২০০০৷ জেলার বাদবাকি অংশের গ্রামীণ এলাকায় ২৫৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৮ হাজার রাজ্য পুলিশ মোতায়েন হচ্ছে৷ গোলমালের আশঙ্কা রয়েছে এমন এলাকা ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে কমিশন ও পুলিশ প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে৷ এমন এলাকার সংখ্যা উত্তর ২৪ পরগনায় ২,৩২৩ এবং হাওড়ায় ৬৪৩টি৷ উত্তর ২৪ পরগনায় ৩ ,৭৮১ জন এবং হাওড়ায় ১ ,৭০৩ জন ভীতসন্ত্রস্ত ভোটারকেও চিহ্নিত করেছে কমিশন৷ এ ছাড়াও এলাকার গুন্ডা -মস্তান -সমাজবিরোধীদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন৷ উত্তর ২৪ পরগনায় এমন ৮৭৬ জন ও হাওড়ায় এমন ৬৬১ জনকে সতর্কতামূলক ভাবে গ্রেন্তার বা আটক করার নির্দেশও কমিশনের তরফে দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ প্রশাসনকে৷

দিল্লির কমিশন সূত্রে খবর , উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপর বিশেষ নজর দিচ্ছে কমিশন৷ নজর থাকবে হাওড়া ও হুগলির দিকেও৷ অনুব্রত মণ্ডলের মতো আরাবুল ইসলামের উপরও বিশেষ নজর থাকবে কমিশনের৷ হাওড়া ও হুগলির ক্ষেত্রেও তাঁদের প্রচুর চিন্তা রয়েছে৷ সংবাদপত্রের খবর , সিপিএমের বিস্তারিত অভিযোগ , পরিস্থিতি সম্পর্কে রিপোর্ট পাওয়ার পরই জাইদিরা চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে কমিশন সূত্রের খবর৷ 
সিঙ্গুরের মমতা-আবেগে ঘাটতি! সভা ভরাতে আনতে হল বাইরের লোক

সিঙ্গুরের মমতা-আবেগে ঘাটতি! সভা ভরাতে আনতে হল বাইরের লোক

কয়েক বছর আগেও তাঁকে ঘিরে আবেগের স্রোতে ভাসত সিঙ্গুর। তৃণমূলের জমি আন্দোলনের সেই আঁতুরঘরে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ভরাতে বাইরে থেকে লোক আনতে হল শাসকদলকে। আর সেই সভায় মমতা ছাড়া অন্য কোনও বক্তা একবারও জমি ফেরতের কথা উচ্চারণ করলেন না।
কয়েক বছর আগেও তাঁকে ঘিরে আবেগের স্রোতে ভাসত সিঙ্গুর। তৃণমূলের জমি আন্দোলনের সেই আঁতুরঘরে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ভরাতে বাইরে থেকে লোক আনতে হল শাসকদলকে। আর সেই সভায় মমতা ছাড়া অন্য কোনও বক্তা একবারও জমি ফেরতের কথা উচ্চারণ করলেন না।
সিঙ্গুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলপ্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের সমর্থনে এদিন সিঙ্গুরের অপূর্বপুর ফুটবল মাঠে নির্বাচনী সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সিঙ্গুর ছাড়াও ওই সভায় হরিপাল, সপ্তগ্রাম, ধনেখালি ও তারকেশ্বর বিধানসভা এলাকার তৃণমূল সমর্থকদের একাংশ উপস্থিত ছিলেন। সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল বিকেল ৪টেয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার সভাস্থলের কাছে পৌঁছয় ৫টা ২০ মিনিটে। তখনও মাঠ পুরো ভরেনি। এরপর দু’টি বড় মিছিল সভাস্থলে ঢুকলে মাঠ কিছুটা ভরে। তবে মমতার বক্তৃতা শেষ হওয়ার আগেই সভাস্থল ছাড়তে দেখা যায় অনেককে। 
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ছেড়ে উঠে যাচ্ছেন দর্শকেরা 
রাজনীতির কারবারিদের একাংশের ব্যাখ্যা, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তৃণমূল ক্ষমতায় এলে ‘অনিচ্ছুক’ কৃষকদের জমি ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তারপর তৃণমূল ক্ষমতা এলেও সিঙ্গুরে টাটাদের কারখানার জমি ফেরত পাননি ‘অনিচ্ছুক’ কৃষকেরা। এর জেরেই টান পড়েছে মমতা-আবেগে। 
এদিন মমতা ছাড়াও বক্তৃতা করেন রবীন্দ্রনাথ এবং হরিপাল কেন্দ্রের তৃণমূলপ্রার্থী বেচারাম মান্না। দু’জনের কেউই জমি ফেরতের বিষয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি। শুধু মমতা তাঁর মিনিট পনেরোর বক্তৃতায় জানিয়েছেন, জমি ফেরত দেওয়া তাঁর সরকারের অঙ্গীকার। কবে তা বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে অবশ্য মুখ খোলেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘আমি বেঁচে থাকতে, আপনাদের উপর কোনও অন্যায় হতে দেব না। যতদিন না সিঙ্গুরের মানুষ জমি ফেরত পাচ্ছেন, আমরা দু’টাকা কিলো দরে চাল দেব।’’

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ক্ষমতায় আসার পরেই আমরা সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ করেছিলাম। ওই জমি এখন আমাদের হাতে।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘বিষয়টি নিয়ে মামলা হয়েছে। সেই মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আপনারা বিচার পাবেন।’’ সিঙ্গুরের জমি এখন তাঁদের হাতে রয়েছে, মমতার এই দাবি প্রসঙ্গে এদিন সিঙ্গুরের জোটপ্রার্থী তথা সিপিএম নেতা রবীন দেব ‘এবেলা’কে বলেন, ‘‘হাইকোর্টে হেরে গিয়েছেন। মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে। বিচারাধীন বিষয়ে উনি কীভাবে এই দাবি করেন?’’ প্রসঙ্গত, এদিন সিঙ্গুরের বড়ায় রবীনের সমর্থনে সভা করেন কংগ্রেসনেতা সোমেন মিত্র এবং সিপিএমনেতা      মহম্মদ সেলিম। 
সিঙ্গুরে গত পাঁচ বছরে তাঁর সরকার কী কী উন্নয়নের কাজ করেছে এদিন তারও ফিরিস্তি দেন তৃণমূলনেত্রী। তবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তিনি বারবারই তুলেছেন জমি ফেরতের কথা। মমতা বলেন, ‘‘যেদিন আপনারা মামলায় জিতে যাবেন, সব ফেরত পাবেন, সেদিন গোটা পৃথিবীর কৃষিজমি আন্দোলনের ঠিকানা হবে সিঙ্গুর।’’
তবে মুখ্যমন্ত্রী যতই জমি ফেরতের আশ্বাস দিন, তাঁকে ঘিরে যে আগের আবেগ আর নেই, তা দৃশ্যতই স্পষ্ট। কেন আবেগে টান? সিঙ্গুরের তৃণমূলনেতা মহাদেব দাস বলেন, ‘‘আবেগ আছেই। তবে জমি ফেরতের দাবিও সিঙ্গুরের মানুষের রয়েছে। কিন্তু তাঁরা এটাও জানেন যে, জমি কেড়ে নিয়েছিল সিপিএম। তৃণমূল নয়।’’ প্রসঙ্গত, এদিন সভামঞ্চে থাকলেও একবারও নিজেদের মধ্যে কথা বলেননি রবীন্দ্রনাথ ও বেচারাম।
এম এস ধোনির সম্পর্কে ১০টি চমকে দেওয়ার মতো তথ্য

এম এস ধোনির সম্পর্কে ১০টি চমকে দেওয়ার মতো তথ্য

ধোনির স্ত্রী সাক্ষী ধোনির সঙ্গে যখনই কোনও সফরে যান তখন সঙ্গে করে নিয়ে যান একটি বিদ্যুৎ-চালিত কুকার।
মহেন্দ্র সিংহ ধোনি ভারতীয় ক্রিকেটের সফলতম অধিনায়ক একথা সকলেরই জানা। এখানে রইল  তাঁর সম্পর্কে এমন ১০টি তথ্য যা জানলে চমকে যাবেন অনেকেই—
১. ভারতীয় দলের এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যানের ওয়ান ডে ক্রিকেট অভিষেক ঘটে ২০০৪ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে প্রথম বলেই রান আউট হয়ে যান মাহি।
২. ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসাব অনুযায়ী ধোনির মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩০ মিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি। সম্পত্তির বিচারে তিনি সচিন তেন্ডুলকরকেও ছাড়িয়ে গেছেন।
৩. আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিনটি প্রধান টুর্নামেন্টই ভারত জিতেছে ধোনির অধিনায়কত্বে— ২০০৭-এ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১-এ ৫০ ওভারের ম্যাচের বিশ্বকাপ আর ২০১৩-এ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।
৪. ২০০৭ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে ধোনির নাম সুপারিশ করেন তেন্ডুলকর। ধোনির স্থির মানসিকতা, আর দলের সকলের সঙ্গে সদ্ভাব রক্ষার ক্ষমতাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন সচিন।
৫. মাহি দ্রুত গতিতে মোটরবাইক চালাতে খুবই ভালবাসেন, তাঁর সংগ্রহে আছে ২৩টি মোটরবাইক ।
৬. ধোনি পৃথিবীর একমাত্র ক্রিকেটার যিনি দু’বার ‘আইসিসি প্লেয়ার অফ দি ইয়ার’ নির্বাচিত হয়েছেন।
৭. ধোনির স্ত্রী সাক্ষী ধোনির সঙ্গে যখনই কোনও সফরে যান তখন সঙ্গে করে নিয়ে যান একটি বিদ্যুৎ-চালিত কুকার।
৮. ছোটবেলায় নিজের স্কুলের ফুটবল টিমের গোলকিপার হিসেবেও খেলেছেন এমএসডি।
৯. তামিল ফিল্মস্টার নাগার্জুনের সঙ্গে মিলিতভাবে সুপারস্পোর্ট ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের (মোটরবাইক রেসিং) একটি দল কিনেছেন ধোনি, এবং সেই দলের নাম দিয়েছেন মাহি রেসিং টিম ইন্ডিয়া।
১০. ২০০১ থেকে ২০০৩— দু’বছর খড়্গপুর স্টেশনে টিকিট চেকারের চাকরি করেছিলেন ধোনি।
এয়ারহোস্টেসের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ককপিটে, চাকরি খোয়ালেন পাইলট

এয়ারহোস্টেসের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ককপিটে, চাকরি খোয়ালেন পাইলট

এয়ারহোস্টেসকে নিয়ে ককপিটের দরজা বন্ধ করায় চাকরি গেল স্পাইসজেটের এক পাইলটের। কো-পাইলটকে বাইরে পাঠিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ককপিটে এয়ারহোস্টেসের সঙ্গে একাই থাকেন ওই বিমান চালক। পাইলটের সিটেও নিয়মবর্হিভূত ভাবে এয়ারহোস্টেসকে বসান তিনি। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতা থেকে ব্যাঙ্কক-গামী বিমানে এই ঘটনা ঘটে। সেদিন রাতে ফিরতি বিমানেও তিনি একই কাণ্ড করেন বলে অভিযোগ। বিমানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করায় শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে অভিযুক্ত পাইলটকে। এছাড়াও কর্মস্থানে সহকর্মীর শ্লীলতাহানির দায়ও আনা হয়েছে তাঁর ওপর। সেদিন বিমানের প্রধান এয়ারহোস্টেসের উদ্দেশ্যে আপত্তিজনক ভাষা ব্যবহার করেছিলেন ওই বিমান চালক। প্রধান এয়ারহোস্টেস এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানান। তাঁর অভিযোগের বিভাগীয় তদন্ত করতে গিয়েই বিমানের সুরক্ষাবিধি ভঙ্গের বিষয়টি সামনে আসে। এই ঘটনা কানে যেতেই দোষী পাইলটকে চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দেন স্পাইসজেট চেয়ারম্যান অজয় সিং। 

তবে এতেই শেষ নয়। ওই পাইলটের জন্য আরও শাস্তির খাঁড়া অপেক্ষা করে রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ডিরেক্টোরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন বা ডিজিসিএ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হলে পাইলটের লাইসেন্স ক্যানসেল করা হতে পারে। অর্থাত্‍ ভবিষ্যতে অন্য কোনও এয়ারলাইন্সের বিমানই চালাতে পারবেন না তিনি।

কলকাতায় খোদ ‘নারদ-কর্তা’। কী কী বললেন?

কলকাতায় খোদ ‘নারদ-কর্তা’। কী কী বললেন?

তাঁর নারদ-কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। চাপে শাসক দল। এই ভোটের বাজারে তিনি কলকাতায় এসে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন।
তৃণমূল নেতারা ঘুষই নিয়েছিলেন, কোন অনুদান নয়। কলকাতায় এসে স্পষ্ট ভাষায় এমনটাই বলে গেলেন নারদ নিউজের সিইও ম্যাথু স্যামুয়েল। ‘অনুদান হলে তো রসিদ থাকবে, ওঁরা রসিদ দিলেন না কেন’— প্রশ্ন তুললেন ম্যাথু। 
আদালতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে আগেই বলা হয়েছে, অভিযুক্ত নেতারা ঘুষ নয়, অনুদান নিয়েছেন। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই দাবি উড়িয়ে আজ সাংবাদিক সম্মেলনে ম্যাথু বললেন এই স্টিং অপরেশনের পিছনে তাঁর কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যই ছিল না। তিনি বলেছেন, ‘‘ওঁরা টাকা নিয়েছিলেন এটা বাস্তব। আমি কোনও বেনিফিটই পাইনি। তৃণমূল তদন্ত করুক, পারলে খুঁজে বার করুক এই স্টিং অপরেশনের পিছনে কে রয়েছে। আমি শুধু দোষীদের শাস্তি চাই।’’ 
ম্যাথু আরও দাবি করেন, তাঁর কোম্পানি আইনি পথেই তৈরি। ব্রিটেনে রেজিস্টার্ড। দুবাইতেও তাঁর অফিস রয়েছে। কিন্তু শুধু তৃণমূলের বাছাই করা কিছু নেতার কাছেই তিনি স্টিং করতে গেলেন কেন? জবাবে ম্যাথু বলেছেন, প্রাথমিকভাবে মির্জা আর ইকবালের কাছে গিয়েছিলেন। তাঁরা যাঁদের নাম করেছেন, তাঁদের কাছেই গিয়েছিলেন তিনি।
নয়া বিতর্কে ধোনি। বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না

নয়া বিতর্কে ধোনি। বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না

গোটা দেশে তীব্র জলকষ্ট। আর প্রবল এই জলকষ্টের মধ্যেই ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি জল অপচয় করছেন বলে অভিযোগ। আর তার জন্যই সংবাদের শিরোনামে চলে এসেছেন মাহি।
গোটা দেশে তীব্র জলকষ্ট। আর প্রবল এই জলকষ্টের মধ্যেই ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি জল অপচয় করছেন বলে অভিযোগ। আর তার জন্যই সংবাদের শিরোনামে চলে এসেছেন মাহি। তৈরি হয়েছে তাঁকে নিয়ে প্রবল বিতর্কও। 
ঘটনাটা কী? ধোনির পৈতৃক ভিটে রাঁচিতে। আর সেই বাড়িতে রয়েছে একটি সুইমিং পুল। এই সুইমিং পুল ভর্তি করতে প্রতিদিন ১৫,০০০ লিটার জল দরকার হয়। অথচ হার্মু রোডের কলোনিতে জল না পেয়ে মানুষ অসন্তুষ্ট। তাঁরাই প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘‘পাঁচ হাজার মানুষ যেখানে জলকষ্টে ভুগছেন, সেখানে একটা বাড়িতে দৈনিক ১৫,০০০ লিটার জল পাঠানো হচ্ছে শুধু সুইমিং পুল ভর্তি করার জন্য!’’ কিন্তু ধোনি-ঘনিষ্ঠ এক জন এই অভিযোগকে নস্যাৎ করে দিয়ে বলছেন, ‘‘ধোনির পৈতৃক বাড়ির সুইমিং পুল সবসময় মোটেও ভর্তি থাকে না।’’ 

আট বছরের ছেলের মৃত্যুতে নাম জড়াল যুবরাজের।

আট বছরের ছেলের মৃত্যুতে নাম জড়াল যুবরাজের।

আট বছরের একটি ছেলের মৃত্যুতে নাম জড়িয়ে পড়ল যুবরাজ সিংহর। ভারতের বাঁ হাতি এই অলরাউন্ডারকে নিয়ে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য।
আট বছরের একটি ছেলের মৃত্যুতে নাম জড়িয়ে পড়ল যুবরাজ সিংহর। ভারতের বাঁ হাতি এই অলরাউন্ডারকে নিয়ে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য। ঘটনা হল, যুবির চণ্ডীগড়ের বাড়িতে মারা গিয়েছে আট বছরের একটি ছেলে। আর এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। যুবির বাড়ির দরজা পড়ে গিয়ে সেই ছেলেটির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যে সময় বাচ্চা ছেলেটি মারা গিয়েছে, তখন অবশ্য যুবিরা বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময়ে যুবরাজ ও তাঁর মা গুরুগ্রামের বাড়িতে ছিলেন। ১৯ এপ্রিল ঘটনাটি ঘটেছে। 
যুবরাজের বাড়িটি মেরামত করা হচ্ছিল। বাড়ির দরজা ছেলেটির উপরে এসে পড়ে। আর তাতেই আট বছরের ছেলেটি অকালে চলে যায়। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমে পড়েছে। খবরের ভিতরকার খবর খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। 

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে ৭টি বিতর্ক

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে ৭টি বিতর্ক

বৃহস্পতিবার কলকাতায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণে ধাওয়া করে যেভাবে ছাপ্পা ভোটারের কলার চেপে ধরেছেন তাতে রীতিমতো বাহবার বন্যা। কিন্তু, এহেন বাবুলকে নিয়েও আছে অসংখ্য বিতর্ক। সে কথা জানেন কি?
একনজরে বাবুল সুপ্রির ঘিরে হওয়ার ৭টি বিতর্ক— 
১) চলতি বছরের জানুয়ারিতে আসানসোলে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান মঞ্চে উঠে গান করেন বিজেপি সাংসদ বাবুল। এই নিয়ে বিজেপি নেতা-নেত্রীদের কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। 
২) গত বছর নিজের লোকসভা কেন্দ্র আসানসোলেই উন্নয়ন নিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন বাবুল সু্প্রিয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ ছিল বারবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে এলাকার বেহাল রাস্তা সারানোর জন্য তদ্বির করেও লাভ হয়নি। বাবুলের যুক্তি ছিল, রাস্তা তৈরির জন্য দরপত্র চাওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
৩) গত বছর মে মাসে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে খোশগল্পে মেতে ওঠেন। এমনকী একই গাড়িতে বসে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের সামনে ঝালমুড়ি শেয়ার করে খেতেও দেখা যায়। এতে অত্যন্ত রেগে যান রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। প্রকাশ্যে সমালোচনাও করেন। 
৪) গত বছর জানুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় সরকারের দফতরের একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বাবুল সুপ্রিয়র ড্রাইভারের লাশ। কড়া নিরাপত্তা সত্ত্বেও ১২ ঘণ্টা ধরে লাশটি গাড়ির মধ্যে কীভাবে পড়ে রইল সেটাই আশ্চর্য! পরে জানা যায় পার্লামেন্টের স্টিকার থাকায় গাড়িটি চেক করেনি সিআইএসএফ।  
৫) ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়-র মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে অপ্রস্তুত অবস্থায় পড়ে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। দেখা যায় বাবুল সুপ্রিয়র কোনও ভোটার কার্ড নেই এবং গত ২০ বছরে তিনি একবারের জন্যেও ভোট দেননি। 
৬) সময়টা ২০১১। লিওনেল মেসি-সহ গোটা আর্জেন্তিনা দল এসেছে কলকাতায়। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সংলগ্ন হোটেলেই ছিলেন মেসিরা। সেই হোটেলে গোটা কলকাতা উঠে এসেছিল। নামী দামী সেলিব্রিটিরাও হাজির ছিলেন সেই হোটেলে। মেসি মাঠে নামার আগের দিন যুবভারতী সংলগ্ন সেই হোটেলে হাজির ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়ও। তিনি আর্জেন্তিনার স্ট্রাইকার গনজালো হিগুয়েইনের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য তাঁর হাত চেপে ধরেন। হিগুয়েইন তো বাবুল সুপ্রিয়কে চেনেন না। হিগুয়েইন প্রায় আঁতকে ওঠেন। বাবুলের হাত ছাড়িয়ে কোনওক্রমে পালিয়ে যান হিগুয়েইন।
৭) ২০০৫ সালে সোনু নিগম এবং বাবুল সুপ্রিয়র মধ্যে চরম কথা কাটাকাটি হয় মিউজিক ডিরেক্টর আদেশ শ্রীবাস্তব-এর জন্মদিনের পার্টিতে। তার পরে বেশ কিছুদিন ধরেই সংবাদমাধ্যমে দু’জনেই দু’জনের প্রতি অপ্রীতিকর মন্তব্যের বন্যা বইয়ে দিয়েছিলেন। 
সেলফি তুললে জেলে ভরবে রেল

সেলফি তুললে জেলে ভরবে রেল

আগ্রায় তাজমহল দর্শনে সেলফি হতে পারে, বা নিদেনপক্ষে রাস্তার এপাশ-ওপাশে সেলফি তুলতে পারেন। কিন্তু, আগ্রা রেল পুলিশের চোখে পড়লে হাজতবাস নিশ্চিত।
সেলফি বিড়ম্বনায় তিতবিরক্ত আগ্রা জিআরপি। আদেখলার মতো সাধারণ মানুষের এই সেলফি-খিদেতে তাঁদের নাকি রাতের ঘুম ছুটেছে। যখন-তখন যে কেউ প্ল্যাটফর্মে হোক বা রেল ট্রাকের ধারে তুলছেন সেলফি। ছুটে আসছে ট্রেন— হুঁশ নেই। কেউ বরাত জোরে বেঁচে যাচ্ছেন। আর কেউ অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন। তাও একা নয়, অধিকাংশ সময়ই দেখা যাচ্ছে এই সেলফি-আত্মঘাতীরা দলে অন্তত ৩ থেকে ৪ জন। আর এই আত্মঘাতীদের জন্য বাড়তি কাজ করতে হচ্ছে জিআরপি-কে। 
তাই এবার কড়া পদক্ষেপ নিল আগ্রা ডিভিশনের জিআরপি। ফতোয়া জারি করা হয়েছে রেল ট্রাকের পাশে বা উপরে এবং প্ল্যাটফর্মের উপরে সেলফি তুলতে গিয়ে ধরা পড়লে জেলে যেতে হবে। এমনকী, আর্থিক জরিমানারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খোয়াতে হতে পারে সাধের স্মার্টফোনটিও। 
গত এক বছরেই আগ্রা রেল ডিভিশনে ট্র্যাকের ধারে এবং প্ল্যাটফর্মের ধার ঘেঁষে সেলফি তুলতে গিয়ে বহুজন দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে অনেকের মৃত্যুও হয়েছে। সম্প্রতি, একটি পরিবারের ৩ জন এই সেলফি তুলতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন। তাই এবার নড়েচড়ে বসেছে জিআরপি।

অরুণাচলে ধস, মৃত ১৩

অরুণাচলে ধস, মৃত ১৩

প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে ধস নামছিল অরুণাচল প্রদেশে। এবার সেই ধস প্রাণ কাড়ল অন্তত ১৩ জনের। বেশ কয়েক জন এখনও নিখোঁজ। জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোররাতে তাওয়াং জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে এই ধস নামে। ঘটনার সময় অধিকাংশ গ্রামবাসী ঘুমিয়েই ছিলেন। ফলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই বেশ কয়েকটি পরিবার ধসের তলায় চাপা পড়ে। দুপুর পর্যন্ত উদ্ধার চালিয়ে ১৩ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ভারতের মাটিতে প্রথম দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচ। কবে, কোথায়?

ভারতের মাটিতে প্রথম দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচ। কবে, কোথায়?

এই বছরের শেষদিকে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দিন ও রাতের টেস্ট ম্যাচ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সচিব অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন এই খবর। অনুরাগ জানান, ‘‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি একটা দিন ও রাতের টেস্ট ম্যাচের আয়োজন করব। ম্যাচটি খেলা হবে গোলাপি বলে।’’ এই টেস্ট ম্যাচ খেলা হওয়ার আগে একটি দলীপ ট্রফি ম্যাচে দিন ও রাতে খেলার ব্যবস্থা করা হবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে বোর্ড দেখে নিতে চাইছে, সফলভাবে টেস্ট ম্যাচের আয়োজন করবার উপযোগী পরিকাঠামো বোর্ডের আছে কি না। 
অনুরাগ আরও জানান যে, ম্যাচটি কোথায় খেলা হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। ‘‘অনেকগুলি বিষয় আমাদের বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে, যেমন— রাত্রে শিশির কতটা পড়বে, ভারতীয় পিচে গোলাপি বলে স্পিনাররা কতটা সুবিধা পাবেন। দলীপ ট্রফি ম্যাচটি থেকে আমরা এইসব বিষয়ে ধারণা পেয়ে যাব’’, বলেন অনুরাগ। 
সাধারণভাবে ভারতে ‘এসজি টেস্ট’ বলে টেস্ট ম্যাচ খেলা হলেও দিন ও রাতের ম্যাচটিতে ‘পিঙ্ক কোকাবুরা’ বল ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে। 
ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম দিন ও রাতের টেস্ট ম্যাচটি খেলা হয় অ্যাডিলেডে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে। দুটি দলেরই খোলোয়াড়রা খুশি ছিলেন এই ম্যাচ খেলে। তবে পরবর্তীকালে সাউথ আফ্রিকা অস্ট্টেলিয়ায় দিন ও রাতের টেস্ট খেলতে আপত্তি জানায়।
ভারতের মাটিতে প্রথম, ও টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের দ্বিতীয় দিন ও রাতের ম্যাচটি আয়োজনে ভারতীয় বোর্ড কতটা সফল হয় তা-ই এখন দেখা