Showing posts with label Khela. Show all posts
Showing posts with label Khela. Show all posts
কিছু না করেই কেকেআর-এ থেকে যান শাকিব। চ্যাম্পিয়ন করেও সরতে হয় মনোজ তিওয়ারিকে

কিছু না করেই কেকেআর-এ থেকে যান শাকিব। চ্যাম্পিয়ন করেও সরতে হয় মনোজ তিওয়ারিকে

শেষ ওভারে জেতার জন্য কেকেআর-এর দরকার ছিল ৯ রান। প্রথম দুটো বলে সিঙ্গল আসে। তৃতীয় বলে চার মারেন মনোজ। পরের বলেরও পরণিত হয় একই। দুটো চার মেরে কেকেআর-কে ট্রফি এনে দিয়েছিলেন বাংলার ছেলেই।

বাংলার ছেলে মনোজ তিওয়ারি। প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান সন্দেহ নেই। অতীতে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে ছিলেন তিনি। একবার তো তাঁর ব্যাটে ভর করেই কেকেআর চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। হারিয়েছিল আবার চেন্নাই সুপার কিংগসকে। যে চেন্নাইকে হারানোর কথা কেউ ঘুণাক্ষরেও ভাবতেন না। ২০১২-র আইপিএলে চেন্নাইকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়েই প্রথমবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কলকাতা শিবির। আর কলকাতার জয়ের কারিগর ছিলেন মনোজ তিওয়ারি। শেষ ওভারে জেতার জন্য কেকেআর-এর দরকার ছিল ৯ রান। প্রথম দুটো বলে সিঙ্গল আসে। তৃতীয় বলে চার মারেন মনোজ। পরের বলেরও পরণিত হয় একই। দুটো চার মেরে কেকেআর-কে ট্রফি এনে দিয়েছিলেন বাংলার ছেলেই। ক্রিজে তাঁর সঙ্গী ছিলেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার শাকিব আল হাসান। তিনি মনোজকে স্ট্রাইক দিয়েছিলেন। মনোজ নিজের কাজটা করে দিয়েছিলেন। পরের বার মনোজকে দলে রাখা হলেও ২০১৪-র মরসুমে মনোজ তিওয়ারিকে আর রাখেনি কলকাতা। সেবারও কলকাতা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২০১৪-য় মনোজ না-থাকলেও শাকিব ছিলেন দলে। শাকিব ভাল অলরাউন্ডার সন্দেহ নেই। কিন্তু একার হাতে তিনি কোনও ম্যাচ বের করতে পারেননি। একা জেতাতে পারেননি কলকাতাকে। খুব কঠিন পরিস্থিতি থেকে যদি ম্যাচ বের করে থাকেন, তাহলে তা মনোজই। এবং সেটা ২০১২-র ফাইনালে। অথচ বাংলার ক্যাপ্টেনকেই ছেঁটে ফেলেছিল কেকেআর ম্যানেজমেন্ট। শাকিবরা থেকে যান শাহরুখের দলে। বাদ পড়েন কলকাতার মনোজরাই।
বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানকে ভয় নেই। মুস্তাফিজুর কীসের ভয়ে কাঁটা হয়ে থাকেন জানেন?

বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানকে ভয় নেই। মুস্তাফিজুর কীসের ভয়ে কাঁটা হয়ে থাকেন জানেন?

ওয়ার্নার ধারাভাষ্যকার রামিজকে বলেন, ‘‘মুস্তাফিজুর কেবল একটা কথাই বলে। ও বলে, বোলিং নো প্রবলেম। ব্যাটিং প্রবলেম অ্যান্ড স্পিকিং প্রবলেম।’’ মুস্তাফিজুরের দুর্বলতা বুঝে নিয়েছেন ওয়ার্নাররা।

মুস্তাফিজুর রহমান বিশ্বক্রিকেটে নতুন মুখ। ক্রিকেট আঙিনায় পা ফেলেই তিনি সাড়া ফেলে দিয়েছেন। ভারতের বিরাট কোহলিও নাকি তাঁর কাটার খেলতে পারেন না। আইপিএল খেলতে ভারতে এসে এমনটাই দাবি করেছেন তিনি। শনিবার কিংগস ইলেভেন পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দুরন্ত বোলিং করেছেন মুস্তাফিজুর। তাঁর বলের জবাব খুঁজে পাননি পঞ্জাবের ব্যাটসম্যানরা।
ম্যাচের সেরাও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের বাঁ হাতি এই বোলার চার ওভারে ৯ রান দিয়ে দু-দুটো উইকেট তুলে নিয়েছেন। খেলার শেষে রামিজ রাজা ডেকে নেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ডেভিড ওয়ার্নারকে। অজি এই বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান এসে মজার এক তথ্য দেন মুস্তাফিজুর সম্পর্কে। বাংলাদেশের এই বোলার ইংরেজি জানেন না। তাই বিদেশিদের সঙ্গে কথা বলতে সমস্যায় পড়েন।
ওয়ার্নার ধারাভাষ্যকার রামিজকে বলেন, ‘‘মুস্তাফিজুর কেবল একটা কথাই বলে। ও বলে, বোলিং নো প্রবলেম। ব্যাটিং প্রবলেম অ্যান্ড স্পিকিং প্রবলেম।’’ মুস্তাফিজুরের দুর্বলতা বুঝে নিয়েছেন ওয়ার্নাররা। সেই মতোই তাঁর পাশে এসে সবাই দাড়াচ্ছেন। মুস্তাফিজুরের জন্য নাকি হায়দরাবাদের অনেকেই বাংলা শিখবেন। ওয়ার্নারের কথা শেষ হতে না-হতেই ম্যাচের সেরা মুস্তফিজকে ডেকে নেন রামিজ। ইংরেজিতে সমস্যা রয়েছে বলে রামিজ রাজা তাঁকে বাংলায় কথা বলতে বলেন। কিন্তু মুস্তাফিজুর এতটাই নার্ভাস হয়ে গিয়েছিলেন যে ভাল করে বাংলাতেও কথা বলতে পারেননি। কেবল বলেন, ‘‘গেমটা খুব ভাল হইছে।’’ রামিজ ব্যাপারটা হালকা করে দিয়ে বলেন, ‘‘তোমার বলই যখন কথা বলছে, তখন মুখে বেশি কিছু বলার দরকার নেই।’’
এম এস ধোনির সম্পর্কে ১০টি চমকে দেওয়ার মতো তথ্য

এম এস ধোনির সম্পর্কে ১০টি চমকে দেওয়ার মতো তথ্য

ধোনির স্ত্রী সাক্ষী ধোনির সঙ্গে যখনই কোনও সফরে যান তখন সঙ্গে করে নিয়ে যান একটি বিদ্যুৎ-চালিত কুকার।
মহেন্দ্র সিংহ ধোনি ভারতীয় ক্রিকেটের সফলতম অধিনায়ক একথা সকলেরই জানা। এখানে রইল  তাঁর সম্পর্কে এমন ১০টি তথ্য যা জানলে চমকে যাবেন অনেকেই—
১. ভারতীয় দলের এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যানের ওয়ান ডে ক্রিকেট অভিষেক ঘটে ২০০৪ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে প্রথম বলেই রান আউট হয়ে যান মাহি।
২. ফোর্বস ম্যাগাজিনের হিসাব অনুযায়ী ধোনির মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩০ মিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি। সম্পত্তির বিচারে তিনি সচিন তেন্ডুলকরকেও ছাড়িয়ে গেছেন।
৩. আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিনটি প্রধান টুর্নামেন্টই ভারত জিতেছে ধোনির অধিনায়কত্বে— ২০০৭-এ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১-এ ৫০ ওভারের ম্যাচের বিশ্বকাপ আর ২০১৩-এ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।
৪. ২০০৭ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে ধোনির নাম সুপারিশ করেন তেন্ডুলকর। ধোনির স্থির মানসিকতা, আর দলের সকলের সঙ্গে সদ্ভাব রক্ষার ক্ষমতাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন সচিন।
৫. মাহি দ্রুত গতিতে মোটরবাইক চালাতে খুবই ভালবাসেন, তাঁর সংগ্রহে আছে ২৩টি মোটরবাইক ।
৬. ধোনি পৃথিবীর একমাত্র ক্রিকেটার যিনি দু’বার ‘আইসিসি প্লেয়ার অফ দি ইয়ার’ নির্বাচিত হয়েছেন।
৭. ধোনির স্ত্রী সাক্ষী ধোনির সঙ্গে যখনই কোনও সফরে যান তখন সঙ্গে করে নিয়ে যান একটি বিদ্যুৎ-চালিত কুকার।
৮. ছোটবেলায় নিজের স্কুলের ফুটবল টিমের গোলকিপার হিসেবেও খেলেছেন এমএসডি।
৯. তামিল ফিল্মস্টার নাগার্জুনের সঙ্গে মিলিতভাবে সুপারস্পোর্ট ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের (মোটরবাইক রেসিং) একটি দল কিনেছেন ধোনি, এবং সেই দলের নাম দিয়েছেন মাহি রেসিং টিম ইন্ডিয়া।
১০. ২০০১ থেকে ২০০৩— দু’বছর খড়্গপুর স্টেশনে টিকিট চেকারের চাকরি করেছিলেন ধোনি।
সানিয়ার পছন্দের পুরুষ কে জানেন?

সানিয়ার পছন্দের পুরুষ কে জানেন?

সানিয়া মির্জা এখনও অনেকের ড্রিম গার্ল। নয় নয় করে ছ বছর তিনি বিয়ে করেছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে। এখনও তাঁর আবেদন কমেনি।
সানিয়া মির্জা এখনও অনেকের ড্রিম গার্ল। নয় নয় করে ছ বছর তিনি বিয়ে করেছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে। এখনও তাঁর আবেদন কমেনি। এখনও সানিয়া অনেক পুরুষেরই স্বপ্নে আসেন। পুরুষদের না হয় পছন্দ সানিয়াকে। কিন্তু কোনওদিন তো জানা হয়নি কেমন পুরুষ পছন্দ সানিয়ার? সানিয়া নিজেই বরফ গলিয়ে বলছেন, ‘‘শক্তিশালী, পেশিবহুল চেহারার পুরুষকে আমার বেশি সেক্সি লাগে। স্কিনি চেহারা হলে আমার একটুও আকর্ষণীয় লাগে না। পেশিবহুল চেহারার আবেদন আমার কাছে সবসময়েই বেশি।’’
কহানি মে টুইস্ট। কোহলির সঙ্গে এ বার নাম জড়াল ...

কহানি মে টুইস্ট। কোহলির সঙ্গে এ বার নাম জড়াল ...

অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে বিরাট কোহলির প্রেমের কী অবস্থা? গোটা ভারত দু’ জনের সম্পর্কের রসায়ন জানতে চায়। কিন্তু কেউই তো এই সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না।
অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে বিরাট কোহলির প্রেমের কী অবস্থা? গোটা ভারত দু’ জনের সম্পর্কের রসায়ন জানতে চায়। কিন্তু কেউই তো এই সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না। এর মধ্যেই ‘কহানি মে টুইস্ট’। কোহলির সঙ্গে নাম জড়াল কমল হাসানের কন্যা শ্রুতি হাসানের। তবে তা রিয়েল লাইফে নয়। রিল লাইফে। দিন কয়েকের মধ্যেই একটি বিজ্ঞাপনে একসঙ্গে দেখা যাবে বিরাট কোহলি ও শ্রুতি  হাসানকে। এর আগে বিজ্ঞাপনে বিরাট ও অনুষ্কাকে জুটি বাঁধতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি একটি বিজ্ঞাপনের ব্যাপারে বিরাটের সঙ্গে অনুষ্কা নন, উলটে শ্রুতি হাসানের সঙ্গেই চুক্তি সেরে ফেলেছেন বিজ্ঞাপনদাতারা। কিন্তু কেন অনুষ্কাকে বাদ দেওয়া হল? বিরাটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের জল কতদূর গড়িয়েছে তার তল বোধহয় পেয়ে গিয়েছেন এ দেশের মানুষ। সেই কারণেই বিজ্ঞাপনদাতারা অনুষ্কা নয়,  শ্রুতিকেই বেছে নিয়েছেন কোহলির পার্টনার হিসেবে। শ্যুটিংয়ের দিনক্ষণও স্থির হয়ে গিয়েছে। বিরাট ও শ্রুতি হাসান ছাড়াও বিজ্ঞাপনে দেখা যাবে ক্রিস গেইল ও এবি ডিভিলিয়ার্সকে। 
নয়া বিতর্কে ধোনি। বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না

নয়া বিতর্কে ধোনি। বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না

গোটা দেশে তীব্র জলকষ্ট। আর প্রবল এই জলকষ্টের মধ্যেই ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি জল অপচয় করছেন বলে অভিযোগ। আর তার জন্যই সংবাদের শিরোনামে চলে এসেছেন মাহি।
গোটা দেশে তীব্র জলকষ্ট। আর প্রবল এই জলকষ্টের মধ্যেই ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি জল অপচয় করছেন বলে অভিযোগ। আর তার জন্যই সংবাদের শিরোনামে চলে এসেছেন মাহি। তৈরি হয়েছে তাঁকে নিয়ে প্রবল বিতর্কও। 
ঘটনাটা কী? ধোনির পৈতৃক ভিটে রাঁচিতে। আর সেই বাড়িতে রয়েছে একটি সুইমিং পুল। এই সুইমিং পুল ভর্তি করতে প্রতিদিন ১৫,০০০ লিটার জল দরকার হয়। অথচ হার্মু রোডের কলোনিতে জল না পেয়ে মানুষ অসন্তুষ্ট। তাঁরাই প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘‘পাঁচ হাজার মানুষ যেখানে জলকষ্টে ভুগছেন, সেখানে একটা বাড়িতে দৈনিক ১৫,০০০ লিটার জল পাঠানো হচ্ছে শুধু সুইমিং পুল ভর্তি করার জন্য!’’ কিন্তু ধোনি-ঘনিষ্ঠ এক জন এই অভিযোগকে নস্যাৎ করে দিয়ে বলছেন, ‘‘ধোনির পৈতৃক বাড়ির সুইমিং পুল সবসময় মোটেও ভর্তি থাকে না।’’ 

আট বছরের ছেলের মৃত্যুতে নাম জড়াল যুবরাজের।

আট বছরের ছেলের মৃত্যুতে নাম জড়াল যুবরাজের।

আট বছরের একটি ছেলের মৃত্যুতে নাম জড়িয়ে পড়ল যুবরাজ সিংহর। ভারতের বাঁ হাতি এই অলরাউন্ডারকে নিয়ে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য।
আট বছরের একটি ছেলের মৃত্যুতে নাম জড়িয়ে পড়ল যুবরাজ সিংহর। ভারতের বাঁ হাতি এই অলরাউন্ডারকে নিয়ে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য। ঘটনা হল, যুবির চণ্ডীগড়ের বাড়িতে মারা গিয়েছে আট বছরের একটি ছেলে। আর এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। যুবির বাড়ির দরজা পড়ে গিয়ে সেই ছেলেটির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যে সময় বাচ্চা ছেলেটি মারা গিয়েছে, তখন অবশ্য যুবিরা বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময়ে যুবরাজ ও তাঁর মা গুরুগ্রামের বাড়িতে ছিলেন। ১৯ এপ্রিল ঘটনাটি ঘটেছে। 
যুবরাজের বাড়িটি মেরামত করা হচ্ছিল। বাড়ির দরজা ছেলেটির উপরে এসে পড়ে। আর তাতেই আট বছরের ছেলেটি অকালে চলে যায়। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমে পড়েছে। খবরের ভিতরকার খবর খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। 

ক্যান্ডি ক্রাশ খেলেন? জেনে নিন এই গেম সম্পর্কে চমকে দেওয়ার মতো ১০ টি তথ্য

ক্যান্ডি ক্রাশ খেলেন? জেনে নিন এই গেম সম্পর্কে চমকে দেওয়ার মতো ১০ টি তথ্য

একবার একটি ১৪ বছরের কিশোর অতিরিক্ত মুভস এবং বুস্ট পাওয়ার লোভে ৪৩০০ ডলার ব্যয় করেছিল। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই একটা লেভেল উতরানোর জন্যে অতিরিক্ত লাইফ পাওয়ার তাগিদে বহু ক্যান্ডি ক্রাশ আসক্ত মানুষ তাদের ফোনের ডেট এবং টাইম সেটিংস পর্যন্ত বদলে দিয়ে থাকেন।
এই গেম বহু মানুষের কাছেই নেশার মতো। অনেকের কাছেই অবসর কাটানোর সবচেয়ে উপভোগ্য উপায় এই গেম। ক্যান্ডির ছবি মিলিয়ে মিলিয়ে নম্বর বাড়ানোর এই খেলার নাম ক্যান্ডি ক্রাশ। আসুন, আপনার প্রিয় এই গেম সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক ১০ টি চমকে দেওয়ার মতো তথ্য—
১. ক্যান্ডি ক্রাশ ফেসবুকের ১ নম্বর অ্যাপ
বলাই বাহুল্য। ফেসবুকে ক্যান্ডি ক্রাশের অ্যাক্টিভ ইউজারের সংখ্যা ৭০ লক্ষের কাছাকাছি, যাঁদের মধ্যে ৬৯ শতাংশ মহিলা।
 
২. ক্যান্ডি ক্রাশের দৈনিক রোজগার প্রায় ৬৩৩,০০০ ডলার
টাকার হিসেবে অঙ্কটা ৪ কোটি ২০ হাজার টাকার মতো। অ্যাপটির বার্ষিক রোজগার ২৩০ মিলিয়নের কাছাকাছি।
৩. গেমটি সবচেয়ে বেশি খেলা হয় হংকং-এ
একটি সমীক্ষা থেকে জানা গেছে এই তথ্য। হংকং-এ প্রতিদিন প্রতি ৭ জনে ১ জন ক্যান্ডি ক্রাশ খেলেন।
 
৪. ক্যান্ডি ক্রাশ অবলম্বনে একটি মিউজিক ভিডিও পর্যন্ত তৈরি হয়েছে
এই ভি়ডিওটি ছিল গ্যাংনাম স্টাইল খ্যাত গায়ক সাই(Psy)-এর।
 
৫. ইনস্টাগ্রামে ‘হ্যাশট্যাগ ক্যান্ডি ক্রাশ’ প্রাপ্ত ছবির সংখ্যা সাড়ে ৪ লক্ষের কাছাকাছি
গেমটির বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে #candycrush সহ বিপুল সংখ্যক ছবি পোস্ট করা হয় ইনস্টাগ্রামে।
 
৬. ফেসবুকে প্রতি ৯ জনে ১ জন এই গেম খেলে
ফেসবুকের মাসিক অ্যাক্টিভ ইউজার ১১৫ কোটি। তাঁদের মধ্যে সাড়ে ১৩ কোটি মানুষ প্রতি মাসে ক্যান্ডি ক্রাশ খেলেন।
৭. এমনও বহু মানুষ আছেন যাঁরা ক্যান্ডি ক্রাশে ‘লাইফ’ পাওয়ার জন্য অর্থ পর্যন্ত ব্যয় করেন
একবার একটি ১৪ বছরের কিশোর অতিরিক্ত মুভস এবং বুস্ট পাওয়ার লোভে ৪৩০০ ডলার ব্যয় করেছিল। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই একটা লেভেল উতরানোর জন্যে অতিরিক্ত লাইফ পাওয়ার তাগিদে বহু ক্যান্ডি ক্রাশ আসক্ত মানুষ তাদের ফোনের ডেট এবং টাইম সেটিংস পর্যন্ত বদলে দিয়ে থাকেন।  
৮. ইংল্যান্ডে ক্যান্ডি ক্রাশের নেশা ছাড়ানোর জন্য নেশামু্ক্তি কেন্দ্র পর্যন্ত খোলা হয়েছে
এই নেশামুক্তি কেন্দ্রে প্রতি মাসে নাকি প্রায় ১০০-র মতো ‘রোগি’-র আগমন ঘটে।
৯. ১০ মিলিয়ন ডাউনলোড
২০১২-র ডিসেম্বর পর্যন্ত এই গেমটি মোট ১ কোটি মোবাইলে ডাউনলোড করা হয়েছে।
১০. অ্যান্টার্কটিকাতেও পৌঁছে গিয়েছে ক্যান্ডি ক্রাশ
অভিযাত্রীদের কাছে অ্যান্টার্কটিকা যতই দুর্গম হোক না কেন, ক্যান্ডি ক্রাশের জয়যাত্রা সেখানেও অব্যাহত।

ভারতের মাটিতে প্রথম দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচ। কবে, কোথায়?

ভারতের মাটিতে প্রথম দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচ। কবে, কোথায়?

এই বছরের শেষদিকে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দিন ও রাতের টেস্ট ম্যাচ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সচিব অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন এই খবর। অনুরাগ জানান, ‘‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি একটা দিন ও রাতের টেস্ট ম্যাচের আয়োজন করব। ম্যাচটি খেলা হবে গোলাপি বলে।’’ এই টেস্ট ম্যাচ খেলা হওয়ার আগে একটি দলীপ ট্রফি ম্যাচে দিন ও রাতে খেলার ব্যবস্থা করা হবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে বোর্ড দেখে নিতে চাইছে, সফলভাবে টেস্ট ম্যাচের আয়োজন করবার উপযোগী পরিকাঠামো বোর্ডের আছে কি না। 
অনুরাগ আরও জানান যে, ম্যাচটি কোথায় খেলা হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। ‘‘অনেকগুলি বিষয় আমাদের বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে, যেমন— রাত্রে শিশির কতটা পড়বে, ভারতীয় পিচে গোলাপি বলে স্পিনাররা কতটা সুবিধা পাবেন। দলীপ ট্রফি ম্যাচটি থেকে আমরা এইসব বিষয়ে ধারণা পেয়ে যাব’’, বলেন অনুরাগ। 
সাধারণভাবে ভারতে ‘এসজি টেস্ট’ বলে টেস্ট ম্যাচ খেলা হলেও দিন ও রাতের ম্যাচটিতে ‘পিঙ্ক কোকাবুরা’ বল ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে। 
ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম দিন ও রাতের টেস্ট ম্যাচটি খেলা হয় অ্যাডিলেডে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে। দুটি দলেরই খোলোয়াড়রা খুশি ছিলেন এই ম্যাচ খেলে। তবে পরবর্তীকালে সাউথ আফ্রিকা অস্ট্টেলিয়ায় দিন ও রাতের টেস্ট খেলতে আপত্তি জানায়।
ভারতের মাটিতে প্রথম, ও টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের দ্বিতীয় দিন ও রাতের ম্যাচটি আয়োজনে ভারতীয় বোর্ড কতটা সফল হয় তা-ই এখন দেখা