Showing posts with label Onyanno. Show all posts
Showing posts with label Onyanno. Show all posts
 ঠিক এই বয়সেই মেয়েরা কামিনী হয়!

ঠিক এই বয়সেই মেয়েরা কামিনী হয়!

গর্ভধারণের সম্ভাবনা যত কমে আসে তত বাড়তে থাকে যৌন উদ্দীপনা। সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, উর্বরতার হার কমে এলে বেশির ভাগ নারীর মনে তীব্র যৌন আকাঙ্খা জাগে।


নিভে যাওয়ার আগে জ্বলে ওঠে দীপশিখা। তেমনই যৌবনের সূর্য কিঞ্চিত্‍ ঢলে পড়লে গতি পায় যৌনতা। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস-অস্টিনের সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, ২৭ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নারীর মধ্যে যৌন কামনা তীব্রতম রূপে দেখা যায়। চিকিত্‍সাশাস্ত্র মতে, এই বয়সে নারীর সন্তানধারণের স্বাভাবিক ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে আসে। অথচ সেই সময় জেগে ওঠে প্রবল যৌন কামনা।

তিরিশ থেকে চল্লিশের কোঠায় পৌঁছনোর পর শ্লথ হয়ে পড়ে যৌবন-ঘড়ির কাঁটা। শরীরের সঙ্গে সঙ্গে মনও জানান দেয় আসন্ন প্রৌঢ়ত্বের হাতছানি। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই সময় যেমন দেখা দেয় মিড-লাইফ ক্রাইসিস, নারীমনে ঠিক তখনই তীব্র যৌনতৃষ্ণার উদয় হয়। যৌবনের শেষ পর্বে এসে শরীরী উন্মাদনার প্রতিটি বিন্দু পান করতে সে মরিয়া হয়ে ওঠে। জীবনের এই সন্ধিক্ষণে শয়নে স্বপনে যৌন ইচ্ছা জাগে তো বটেই, অনেকে ঘন ঘন যৌন মিলন এমনকি কামতাড়িত হয়ে নিষিদ্ধ সম্পর্কের ফাঁদেও অনেকেই পা দেন।

মনোবিদ জুডিথ এডিসন জানিয়েছেন, 'কুড়ির শেষ থেকে মধ্য চল্লিশ পর্যন্ত মেয়েদের শরীরে সন্তানধারণের ক্ষমতায় ভাটা পড়ে। পাশাপাশি, যৌবনের মাঝ দরিয়ায় পৌঁছে তাঁরা হঠাত্‍ তীব্র যৌন উত্তেজনা বোধ করতে থাকেন।'

এই মানসিক পরিবর্তন প্রকৃতির নিয়ম মেনে জীবনে প্রবেশ করে, জানিয়েছেন মনোবিদ। জীবজগতের আদিম প্রবণতা অনুসারেই শরীর-মনে এই বিক্রিয়া ঘটে বলে তাঁর দাবি।
মৃত্যুর পরে আপনার ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের কী হবে?

মৃত্যুর পরে আপনার ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের কী হবে?

আপনি চিরদিন বাঁচবেন না। সেটাই স্বাভাবিক। থেকে যাবে আপনার কীর্তিকলাপ। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-এ আপনি কী করেছেন, তার খতিয়ান। কিন্তু ঠিক কী হয়?

ফেসবুক-এ এখন মৃত মানুষের ভিড়। বহু মানুষ মারা গিয়েছেন, কিন্তু তাঁদের অ্যাকাউন্টগুলি দিব্য রয়েছে বহাল তবিয়তে। যদিও ইউজারের মৃত্যুর ক্ষেত্রে একটি নিয়ম রয়েছে ফেসবুক-এর। ফেসবুক হয় পাকাপাকিভাবে সেই অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেয়, নয়তো সেটিকে একটি মেমরিয়াল পেজ-এ পাল্টে দেয়। এ ক্ষেত্রে ফ্রেন্ড এবং ফ্যামিলি লিস্টে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা মৃত ব্যক্তির মেমোরিয়াল পেজ-এ পোস্ট করতে পারেন। ইউজার যদি কাউকে ‘লিগ্যাসি কনট্যাক্ট’ দিয়ে যান, তা হলে তাঁর মৃত্যুর পরে সেই ব্যক্তি আংশিকভাবে ওই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।
টুইটারে কোনও ইউজারের মৃত্যুর পরে তিনি যাঁকে অথরাইজ করে দিয়ে যাবেন, একমাত্র তিনিই ইউজারের মৃত্যুর কথা জানাতে পারবেন। তবে সেই ব্যক্তিকে ইউজারের মৃত্যুর পর্যাপ্ত প্রমাণ দিতে হবে। তবে ওই অ্যাকাউন্টে পরিবারের কোনও অধিকার থাকবে না।
ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলটিকে মেমোরিয়াল পেজ করে দেয়। তবে সেই অ্যাকাউন্টে কারও অ্যাকসেস থাকবে না।
অবিবাহিতা মধ্যবয়সি বাঙালি মহিলাদের ৭টি প্রধান সমস্যা

অবিবাহিতা মধ্যবয়সি বাঙালি মহিলাদের ৭টি প্রধান সমস্যা

আগে বলা হত, এঁরা সংসারের বোঝা। এখন কি সময় পাল্টেছে? না, একইরকম রয়েছে? বাঙালি পরিবারে অবিবাহিতা মধ্যবয়সিরা সম্ভবত আজও ‘‘সমস্যা’’র নামান্তর।

১. নিরাপত্তাহীনতা: পথে একাকী মহিলা কি আজও নিরাপদ? সম্ভবত নয়। তা হলে ঘরে-বাইরে মধ্যবয়সি একাকী মহিলার অবস্থা কল্পনা কি খুব কঠিন? যে সমাজে বিবাহিতারাই সুরক্ষিত বোধ করেন না, সেখানে অবিবাহিতাদের নিরাপত্তার অবস্থা আরও খারাপ হবে, সেটাই স্বাভাবিক।
২. অর্থনৈতিক নিরাপত্তা: চাকরি থাকলে তা-ও একটা ভরসা থাকে। কিন্তু বর্তমানে চাকরির বাজার বেহাল। রোজগারের পথ না-থাকলে তাঁকে পরের মুখাপেক্ষী থাকতে হবে। মাঝবয়সে পৌঁছে অর্থের জন্য অন্যের উপরে নির্ভরশীল হতে হলে জীবনে অনেক হিসেবই যে নতুন করে কষতে হয়।
৩. চাকরি থাকলেও সমস্যা: কর্মক্ষেত্রে অবিবাহিতা, স্বাধীনচেতা মহিলাদের সমস্যাটা একটু বেশিই। অফিসে তাঁদের নিয়ে বিবিধ কানাঘুষো ঘুরে বেড়ায়। বিশেষ করে পুরুষদের কাছে এঁদের ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠে চ্যালেঞ্জের সামিল। প্রতিটি ক্ষেত্রে বাধার মুখোমুখি হতে হয়।
৪. কামনা-লালসা: বলা হয়, মাঝবয়সটা মেয়েদের পক্ষে সবথেকে বিপজ্জনক। শরীরের নিয়ম মেনে এই সময়ে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে, যা সবসময়ে হয়তো মানসিক দিক থেকে সমপর্যায়ের পুরুষদের আকর্ষণ করে না। সুযোগ নেওয়ার জন্য ও়ৎ পেতে থাকতেই পারে অনেকে। বহু ক্ষেত্রে দেখা যায়, জীবনের না-পাওয়াগুলো আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে নিতে অনেক মহিলা ফাঁদে পা দেন। ডেকে আনেন চরম সর্বনাশ।
৫. বিয়ের চাপ: পরিবারের তরফে বিয়ের চাপটা এই বয়সে সবথেকে বেশি বেড়ে যায়। বিয়ে করতে না-চাইলেও অনেকে এই বয়সে এসে শেষ পর্যন্ত পারিবারিক চাপে বিয়ে করতে বাধ্য হন। সেই অভিজ্ঞতা অনেক ক্ষেত্রেই সুখের  হয় না।
৬. সময়ের চাপ: বেশিরভাগ মহিলাই ‘‘মা’’ ডাক শুনতে উন্মুখ থাকেন। জীবনের একটা সময়ে বিয়ে না-করার পণ অনেক ক্ষেত্রেই মাঝবয়সে এসে ভেঙে যায় স্রেফ এই কারণে। কিন্তু মা হওয়ার জন্য এই বয়স হয়তো সবার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। শারীরিকভাবে তো বটেই, সার্বিক বিচারেও। অনেকে সন্তান দত্তক নেন, সিঙ্গল মাদার হিসেবে তার লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও বিবিধ সমস্যা চলে আসে।
৭. চরিত্র নিয়ে টানাটানি: সর্বশেষ এবং সবথেকে ভয়ঙ্কর ব্যাপার। অনেক পুরুষই মধ্যবয়সি অবিবাহিতা মহিলা দেখলে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন। না-পারলে চরিত্রে কালির ছিটে দেওয়ার তোড়জোড়। অফিসে ব্যক্তিত্বের কাছে হার মানলেও একই ঘটনা। অবিবাহিতা মহিলাদের প্রতি পুরুষ সহকর্মীদের আকর্ষিত হতে দেখলে মহিলা সহকর্মীদের অনেকে সেই কাজই করেন। আবার ভাল কাজ করে প্রোমোশন পেলেও ধেয়ে আসে বাঁকা কথা।
পৃথিবী যেন পুরোটাই ভাগাড়। চারিদিকে শুধু থরে থরে সাজানো শকুনের সারি।
‘সানবাথ-বৌদি’ অথবা শাঁখা-নোয়া-সিঁদুরের নতুন পালা

‘সানবাথ-বৌদি’ অথবা শাঁখা-নোয়া-সিঁদুরের নতুন পালা

কটিমাত্র বস্ত্রাবৃত অথবা নির্বস্ত্র সানবাথ-রত বঙ্গীয় নারীশরীরের উপরে যথেচ্ছ ঘুরে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশনের পেশাদার ম্যসিওরদের পাকা হাত। বস্ত্র না-থাক, শাঁখা-নোয়া রয়েছে।
চিৎপুর যাত্রাপাড়ার বিজ্ঞাপন বলে যদি কেউ এই লেখার শিরোনামকে ধরে বসেন, তাঁকে দোষ দেওয়া যাবে না। বাঙালির জীবনে গ্লোবোলাইজেশন আসুক অথবা যে কোনও বালাই-ই আসুক, শাঁখা-পলা-নোয়ার পালাগান তার পিছু ছাড়বে বলে মনে হয় না।

‘বৌদির শাঁখা থেকে গেল ফাঁকা’ অথবা ‘নুয়ে পড়া নোয়ার কান্না’ নামে কোনও অশ্রুসজল সামাজিক পালা চিৎপুর যদি না-ও লেখে, ইন্টারনেট কিন্তু লিখে চলেছে নিরন্তর। উপরের ছবিটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। নেট-পানুর মহাসাগরে যে সব স্কুবা-ডুবুরিরা নিয়মিত ডুব দিয়ে ভুড়ভুড়ি কাটেন, তাঁরা জানেন এর ‘রহস্য’টি কী।
ক্রমাগত রিসর্টবাজির প্রবণতা বৃদ্ধি এবং সেই প্রবণতায় বাঙালি গৃহবধূকুলের আত্মসংযোজন কত দূর বিস্তৃত হয়েছে, তা অন্তর্যামী না-জানলেও ইন্টারনেট জানে। বাড়ি নামক কনফাইনমেন্টের চৌহদ্দি থেকে মুক্তির অর্থটি গত দশ বছরে মুহুর্মুহু বদলে চলেছে। সাহিত্যিক সুবোধ ঘোষ তাঁর ‘বারবধূ’ নামের ছোটগল্পটিতে পারিবারিক পরিসরের বাইরে বাঙালি পুরুষের যৌনফুর্তির যে আখ্যানটি লিখেছিলেন, তার কেন্দ্রে থাকা নারীটি ‘গৃহবধূ’ ছিল না। আর সেটাই ছিল গল্পটির প্রধানতম আখ্যান-মোচড়। বারবিলাসিনী নারী আর গৃহবধূত্বের মাঝখানে যে ফাঁকটা অসেতুসম্ভব ছিল সেটাকেই কি ভরাট করে দিল গত ১০ বছরের সমাজেতিহাস?
নেট থেকে এমন ভিডিও অথবা স্টিল ছবি পাওয়া এই মুহূর্তে কোনও ব্যাপারই নয়, যেখানে একান্ত ঘরোয়া পরিসরে নিজেকে উন্মুক্ত করছেন আপাতদৃষ্টিতে একান্ত ঘরোয়া কোনও হাউজ ওয়াইফ বাঙালিনী। এখানেই শেষ নয়, সোয়াপিং, সুইঙ্গিং-আদি রতিকলাতেও যে তাঁরা পারদর্শিনী, তার ডকুমেন্টেশনও রাখা হচ্ছে সযত্নে। অনেক ক্ষেত্রেই স্পষ্ট বোঝা যায়, এই ‘যত্নশীল’ আর্কাইভিস্টটি মহিলাক স্বামী ছাড়া আর কেউই নন। সেক্ষেত্রেও একটা ব্যাপার লক্ষ্যণীয়। কীবাবে এবং কখন বাঙালি মধ্যবিত্তের ঘরেলু নৈতিকতার জায়গাটা এতটা বদলে গেল, তার খবর কিন্তু রাখা হয়নি কোনও ভাবেই। স্বামী তাঁর দামি মোবাইল ক্যামেরায় শ্যুট করে চলেছেন স্ত্রীর সুইঙ্গিং, অথবা নিবিড় আদরে ক্যামেরাবন্দি করছেন বিস্রস্তবসনা গৃহলক্ষ্মীর ম্যাসাজ গ্রহণের দৃশ্য। কটিমাত্র বস্ত্রাবৃত অথবা নির্বস্ত্র সানবাথ-রত বঙ্গীয় নারীশরীরের উপরে যথেচ্ছ ঘুরে যাচ্ছে ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশনের পেশাদার ম্যসিওরদের পাকা হাত। বস্ত্র না-থাক, শাঁখা-নোয়া রয়েছে। একি বাঙালিত্বের অভিজ্ঞানকে সাক্ষী রেখে যৌন-বিপ্লবের উদাত্ত আহ্বান? একি শঙ্খ ঘোষের সেই বিখ্যাত পঙক্তি ‘বাইরে লেনিন, ভিতরে শিব, বেলেঘাটার গলি’-র ইরোটিক রূপান্তরণ?
নাকি এটাই বাঙালির চির-অপরিবর্তনীয় চরিত্র? পরিবর্তন আর স্থবিরতাকে একই পাতে ডালিভাতি করে মৌজ করার কালচার তো সেই ‘ধর্মমঙ্গল’-এর কাল থেকে বহমান। শাঁখা-নোয়া আর বিকিনি, সিঁদুর আর থং প্যান্টি, ফোরজি অ্যান্ডরয়েড আর শনিপুজো এক পাতে বসার নামই কি বিশ্বায়ন? তাব কে য়ে কার কান ধরে টানছে, শাখা-নোয়া থং প্যান্টির নাকি থং প্যান্টি শাঁখা-নোয়ার সেটা বোঝা যায় না এই ধূসর-ধূসরতর জোন-এ। 
ভারতের এই ৫টি জায়গায় উদ্দাম নগ্ন পার্টি হয় বলে শোনা যায়

ভারতের এই ৫টি জায়গায় উদ্দাম নগ্ন পার্টি হয় বলে শোনা যায়

পুরোটাই লুকিয়ে চুরিয়ে। পুলিশে টের পেলে হাতকড়া পরাবে নিশ্চিত। খোঁজ করলে দেখা যাবে, এই দেশের সর্বত্র এমন কাণ্ড ঘটে চলেছে। কিন্তু পাঁচটি জায়গা এর মধ্যেই বেশ নাম করেছে এ বিষয়ে...
১. আগাত্তি আইল্যান্ড বিচ, লাক্ষাদ্বীপ। তাল এবং নারকেল গাছে ভর্তি
সমুদ্রতট। শোনা যায়, এই বিচে হামেশাই ন্যুড পার্টির আসর বসে।
২. ওম বিচ, গোকর্ণ। বলা হয়, ভারতে
এমন ‘উষ্ণ’ বিচ নাকি দ্বিতীয়টি নেই।

৩. প্যারাডাইস বিচ, গোকর্ণ। এখানে নাকি এক গুপ্ত স্থান রয়েছে।
মাঝিমাল্লাদের বিশেষ বখশিস দিতে পারলে সেখানে নিয়ে
যান। নগ্নতার আসর বসে সেই গুপ্ত স্থানে।
৪. মারারি বিচ, কেরল। মারারি বিচ-এর প্লাস
পয়েন্ট হল এর নির্জনতা। একেবারে শুনশান বছরের
বেশিরভাগ সময়ে। নগ্নতার শ্রেষ্ঠ জায়গা?
৫. ওজরান বিচ, গোয়া। ভিড়ে ঠাসা গোয়ার প্রায়
সব বিচ। কিন্তু এখানে নাকি বিশেষ লোকজন ধরলে
পাওয়া যায় ন্যুড পার্টির সন্ধান।

‘ছোটা ভীম’কে ভালবাসেন? জেনে নিন এই অ্যানিমেশনের জনপ্রিয়তার রহস্য

‘ছোটা ভীম’কে ভালবাসেন? জেনে নিন এই অ্যানিমেশনের জনপ্রিয়তার রহস্য

অ্যানিমেশন জগতের আর এক জনপ্রিয় চরিত্র পপাই-এর শক্তিবৃদ্ধি হত 'স্পিনাচ' বা পালংশাক খেলে। লাড্ডু খেয়ে ভীম-এর শক্তি বেড়ে যাওয়ার আইডিয়াটি সেখান থেকেই ধার করা। কিন্তু এক্ষেত্রে গোটা বিষয়টির ভারতীয়করণ ঘটেছে।

‘ছোটা ভীম’ অ্যানিমেশান সিরিজ শুধু ছোটদের নয়, বহু প্রাপ্তবয়স্কেরও মন জয় করেছে। কিন্তু এই সিরিজের উল্লেখযোগ্য দিক কোনগুলি যার জোরে এই বিপুল জনপ্রিয়তা? আসুন জেনে নিই—
১. মনকাড়া চরিত্র: ভীম, চুটকি, রাজু, জগ্গু, ডোলু, ভোলু এবং কালিয়া— প্রত্যেকেই টিভি স্ক্রিনে এখন অত্যন্ত জনপ্রিয় । চুটকি একটি ছোট্ট-মিষ্টি মেয়ে। রাজু ছোট ছেলে একটি— নেড়া মাথা, এবং ছোটখাটো চেহারা। জগগু বাঁদর হলেও তার জনপ্রিয়তাও কম কিছু নয়। কালিয়ার রঙ্গভঙ্গ নিয়ে অন্য বাচ্চারা সারাক্ষণ হাসিঠাট্টা করেই চলেছে। কিন্তু ঢোলু আর ভোলুর কাছে সেসব গ্রাহ্য নয়। তারা দুজন কালিয়ার চেলাগিরি করেই খুশি। বিভিন্ন মেজাজ ও মানসিকতার এই সমস্ত চরিত্র ‘ছোটা ভীম’-এর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ।
২. টুনটুন মাসির হাতে তৈরি লাড্ডু: চুটকির মা তথা টুনটুন মাসির তৈরি করা এই লাড্ডুর বিশেষ গুণ রয়েছে। লোভনীয় চেহারার এই লাড্ডু খেয়েই ভীম গুন্ডা-বদমাশদের সঙ্গে লড়াই করবার শক্তি অর্জন করে। অ্যানিমেশন জগতের আর এক জনপ্রিয় চরিত্র পপাই-এর শক্তিবৃদ্ধি হত 'স্পিনাচ' বা পালংশাক খেলে। লাড্ডু খেয়ে ভীম-এর শক্তি বেড়ে যাওয়ার আইডিয়াটি সেখান থেকেই ধার করা। কিন্তু এক্ষেত্রে গোটা বিষয়টির ভারতীয়করণ ঘটেছে। স্পিনাচ-এর জায়গায় এসেছে লাড্ডু, যা ভারতীয় শিশুদের অত্যন্ত সাধের মিষ্টি। তা ছাড়া, কোনও অলৌকিক উপায়ে এক সাদামাটা ছেলের হঠাৎ শক্তিবৃদ্ধি, এবং তার জোরে দুষ্টের দমন— এই কাহিনি-পরিকল্পনা ছোট-বড় সকলের ফ্যান্টাসিকে উস্কে দিতে বাধ্য।
৩. একতাই শক্তি: বন্ধুত্বের মহিমাকীর্তন এই অ্যানিমেশন সিরিজের প্রধান কথা। মানসিকতার পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু সিরিজের মূল চরিত্রগুলো সর্বদা ঐক্যবদ্ধ থাকে। আজকালকার দিনে বন্ধুত্বের এমন টান বোধহয় দুর্লভ। আর যা অলভ্য তার প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরন্তন। ‘ছোটা ভীম’-এর জনপ্রিয়তার এটাও একটা কারণ।
৪. ভালর জয় মন্দের পরাজয়: অথবা সত্যের জয়, অসত্যের পরাজয়। এটাও আজকের সমাজে চট করে দেখা যায় না। আর সমাজজীবনের যা অপ্রাপ্তি দর্শকের সেই মনোগত ইচ্ছাপূরণ যদি একটা টিভি সিরিজের মাধ্যমে ঘটে তাহলে তা জনপ্রিয় হতে বাধ্য।
৫. নীতিকথার সংযোজন: সনাতন ভারতীয় উপকথা বা রূপকথার মতোই কাহিনির মোড়কে নীতিশিক্ষার একটা ব্যাপার ‘ছোটা ভীম’-এ জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সম্ভবত সেই কারণেই বাচ্চাদের এই সিরিজ দেখার ব্যাপারে বাবা-মারও অসম্মতি থাকে না।
শেক্সপিয়রের যে রহস্যগুলির আজও সমাধান হয়নি

শেক্সপিয়রের যে রহস্যগুলির আজও সমাধান হয়নি

কখনও তাঁকে বলা হচ্ছে রহস্য-কাল্টের প্রাণপুরুষ। কখনও তিনি আজব প্রতীকের ব্যবহার ঘটিয়ে নীরব। উইলিয়ম শেক্সপিয়রের প্রয়াণদিবসে তাঁকে স্মরণ করল এবেলা.ইন।
তাঁকে ঘিরে রহস্য কি কখনও ফুরবে না? না। তাঁর অস্তিত্ব, তিনি সত্যিই তাঁর নামে চলিত নাটক ও সনেটগুলি লিখেছিলেন কি না, সেই সমস্ত বহুচর্চিত তর্কে প্রবেশ করতে চাইছি না। উইলিয়ম শেসক্সপিয়র নামক ব্যক্তিটি ছিলেন-আছেন-থাকবেন ধরে নিয়েই একথা সাহস করে উত্থাপন করতে চাইছি যে, এখনও পর্যন্ত এই ইংরেজ প্রতিভাধরকে নিয়ে এমন কিছু রহস্য এই মরপৃথিবীতেই পাক খায়, যার কিনারা তেমনভাবে কেউ করে উঠতে পারেননি। ক্রমাগত ব্যাখ্যা, অতিব্যাখ্যা এবং আরও ব্যাখ্যার চাপে শেক্সপিয়র নামক এনিগমাটি সমাচ্ছন্ন হয়ে রয়েছেন। সেগুলির সমাধান দূর অস্ত, সেগুলি যে ঠিক কী, তা-ই আজ পর্যন্ত সঠিকভাবে জানা হয়নি।
দেখা যাক সেগুলির কয়েকটিকে।
• শেক্সপিয়রকে অনেকেই অকাল্ট-চর্চার এক গূঢ়পুরুষ বলে মনে করেন। ড্যান ব্রাউনের আলোড়ন তোলা উপন্যাস ‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’-এ পশ্চিমি জগতের সবথেকে রহস্যময় গুপ্তসমিতি ‘প্রায়রি অফ সিওন’-এর গ্র্যান্ডমাস্টার-তালিকায় শেক্সপিয়রের নাম রয়েছে বলে দাবি করা হয়। ব্রাউনের দাবি শূন্যগর্ভ নয়। এই বিষয়ে বিস্তর লেখালেখি রয়েছে মাইকেল বেইগেন্ট, হেনরি লিঙ্কন এবং রিচার্ড লি-র গবেষণাগ্রন্থ ‘দ্য হোলি ব্লাড অ্যান্ড দ্য হোলি গ্রেল’-এ।
• ‘ম্যাকবেথ’-এ তিন ডাইনির উপস্থিতিকে প্রতিকী অর্থে না-দেখে অনেকেই শেক্সপিয়রকে প্রাক খ্রিস্টান রহস্যবাদী পৌত্তলিক সংস্কৃতির সঙ্গে ট্যাগ করেন। কতটা সত্য এই ট্যাগিং? অনেকে তো আবার এ কথাও বলেন, শেক্সপিয়র নাকি প্রাচীন ডাকিনীবিদ্যা বিষয়ে শিক্ষা নিয়েছিলেন।
• ‘হ্যামলেট’-এ পুরনো দুর্গ, মৃত রাজার প্রেতাত্মা, রহস্যময়ী রানি ইত্যাদি এলিমেন্ট যে পরিমণ্ডল তৈরি করে, তা ১৯ শতকের গথিক সাহিত্যে আকছার লভ্য। কিন্তু মহামতি সেক্ষপীর ১৬-১৭ শতকের মানুষ। কতটা রহস্যবাদী হলে ভবিষ্যতের গর্ভে ডুবে থাকা রহস্যকে এভাবে ব্যক্ত করা যায়?
• ‘আ মিডসামার নাইটস ড্রিম’-এ কেন অদ্ভুত মিস্টিক কুয়াশার ঢল? কারা এর চরিত্র? সত্যি সত্যি কী বলতে চায় এরা? কেনই বা এত মাম্বো-জাম্বোর ছড়াছড়ি এই নাটকে? তার উপরে এই নাটকেই শেক্সপিয়র প্রয়োগ করেছিলেন প্রাচীন গ্রিক মিথোলজির। সেটাই বা কেন, সঠিক জানা যায় না।
• বিভিন্ন নাটকে কেন ঘুরে ফিরে এসেছে পেঁচা? কী অর্থ এর?
• ‘টেম্পেস্ট’ তো প্রত্যক্ষভাবেই রহস্যবাদী কাল্টের কথা বলে। ইতিহাসবিদ ফ্রান্সেস ইয়েটস এই নাটককে বিষয়ে বিস্তর বক্তব্য রেখেছেন। সেই সময়ের অত্যন্ত রহস্যময় কাল্ট ‘রোজিক্রুশিয়ান’-দের সঙ্গে শেক্সপিয়রের ঘনিষ্ঠতার কথাও লিখেছেন তিনি। শেক্সপিয়রের সঙ্গে আর এক রহস্যবাদী প্রাচীন কাল্ট ফ্রিম্যাসনরি-র সম্পর্ক নিয়েও সরব বহু গবেষক। 
এয়ারহোস্টেসের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ককপিটে, চাকরি খোয়ালেন পাইলট

এয়ারহোস্টেসের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ককপিটে, চাকরি খোয়ালেন পাইলট

এয়ারহোস্টেসকে নিয়ে ককপিটের দরজা বন্ধ করায় চাকরি গেল স্পাইসজেটের এক পাইলটের। কো-পাইলটকে বাইরে পাঠিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ককপিটে এয়ারহোস্টেসের সঙ্গে একাই থাকেন ওই বিমান চালক। পাইলটের সিটেও নিয়মবর্হিভূত ভাবে এয়ারহোস্টেসকে বসান তিনি। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতা থেকে ব্যাঙ্কক-গামী বিমানে এই ঘটনা ঘটে। সেদিন রাতে ফিরতি বিমানেও তিনি একই কাণ্ড করেন বলে অভিযোগ। বিমানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করায় শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে অভিযুক্ত পাইলটকে। এছাড়াও কর্মস্থানে সহকর্মীর শ্লীলতাহানির দায়ও আনা হয়েছে তাঁর ওপর। সেদিন বিমানের প্রধান এয়ারহোস্টেসের উদ্দেশ্যে আপত্তিজনক ভাষা ব্যবহার করেছিলেন ওই বিমান চালক। প্রধান এয়ারহোস্টেস এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানান। তাঁর অভিযোগের বিভাগীয় তদন্ত করতে গিয়েই বিমানের সুরক্ষাবিধি ভঙ্গের বিষয়টি সামনে আসে। এই ঘটনা কানে যেতেই দোষী পাইলটকে চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দেন স্পাইসজেট চেয়ারম্যান অজয় সিং। 

তবে এতেই শেষ নয়। ওই পাইলটের জন্য আরও শাস্তির খাঁড়া অপেক্ষা করে রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ডিরেক্টোরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন বা ডিজিসিএ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হলে পাইলটের লাইসেন্স ক্যানসেল করা হতে পারে। অর্থাত্‍ ভবিষ্যতে অন্য কোনও এয়ারলাইন্সের বিমানই চালাতে পারবেন না তিনি।

জানেন, ‘‘ফ্যান’’ দেখে সবথেকে বেশি উত্তেজিত হয়েছিল কে? অবাক হবেন...

জানেন, ‘‘ফ্যান’’ দেখে সবথেকে বেশি উত্তেজিত হয়েছিল কে? অবাক হবেন...

শাহরুখ খানের ‘‘ফ্যান’’ দেখেছেন? ভাল লেগেছে? ভাল লাগার কথাও। কিন্তু সবথেকে বেশি লাফালাফি করেছে কে জানেন? কল্পনাই করতে পারবেন না।
‘‘ফ্যান’’-এর জন্য ফের চারিদিকে শাহরুখ ম্যানিয়া। স্রেফ অভিনয়ের গুণে এই ছবিতে বাজিমাত করেছেন শাহরুখ। কিন্তু ‘‘ফ্যান’’ দেখে যে সবথেকে বেশি লাফালাফি করেছে, সে কিন্তু শাহরুখের অভিনয়ের বিন্দুবিসর্গ কিছু বোঝেনি। সে দেখেছে, পর্দাজুড়ে খালি ‘‘পাপা’’ আর ‘‘পাপা’’। একসঙ্গে এত্তগুলো ‘‘পাপা’’ দেখে সে যারপরনাই উত্তেজিত হয়ে ওঠে। শাহরুখ খান বলেছেন তাঁর ছোটছেলে আব্রামের কীর্তিকলাপ। শাহরুখ জানিয়েছেন, আব্রাম পুরো ছবিটা দেখেছে। শেষের দিকে কিঞ্চিৎ বিভ্রান্ত হয়েছিল। তবে ছোট্ট আব্রাম যে পুরো ছবিটা দেখেছে, তাতেই খুশি এসআরকে।

বই লিখছেন সানি লিওন! কী রয়েছে সেই বইয়ে? জেনে নিন

বই লিখছেন সানি লিওন! কী রয়েছে সেই বইয়ে? জেনে নিন

সানি এবার আর ভালবাসার শিক্ষক নন, উষ্ণ রাতের উষ্ণ লেখিকা। যিনি তাঁর কলম দিয়ে আঁচড় কেটে যাবেন আপনার রাতে। যার কলমে ওঠে আসবে এক অন্য কাহিনি। অন্য উষ্ণতা। 
‘জুগারনট’ নামে একটি অ্যাপে মিলছে সানি লিওনের এই বই। যার নাম রাখা হয়েছে ‘সুইট ড্রিমস’। কিন্তু, কি থাকছে সেই বইয়ে? সানি অবশ্য খোলসা করছেন না। নিজস্ব টুইটার অ্যাকাউন্টে ‘সুইট ড্রিমস’-এর কভার শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে তিনি লিখেছেন,‘তিনি উত্তেজিত’। সানির উষ্ণতার আবেদন যে ফেলনা করার মতো নয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর সেই উষ্ণ নারী যদি আপনাকে গল্প বলার ছলে স্বপ্ন দেখান তাহলে তো কথাই নেই।
৫ বছর আগে এক টেলিভিশন চ্যানেলে রিয়্যালিটি শো দিয়ে ভারতীয় গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে পা পড়েছিল সানির। পর্নস্টারের হিসাবেই একটা সময় পরিচিত ছিল তাঁর। সেই রাস্তা পেরিয়ে এখন তিনি বলিউডে একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রীর তকমায় খ্যাত। সেই পালকে এবার নয়া সংযোজন লেখক হিসাবে পরিচিতি। আসলে সানি লিওন এমনই। জানেন রূপের টানে নিজের ইমেজকে ভাঙা আর গড়ার খেলাটা। 

ফেসবুক মেসেঞ্জারে যে ১০টি অদ্ভুত কাজ আপনি করতে পারবেন...

ফেসবুক মেসেঞ্জারে যে ১০টি অদ্ভুত কাজ আপনি করতে পারবেন...

ফেসবুক মেসেঞ্জার কি শুধুই চ্যাট করার জন্য? ২০১১ সালে বাজারে আসার পর থেকে এই অ্যাপটি ক্রমাগত আপডেটেড হয়েছে।
১0টি এমন ফিচার ফেসবুক মেসেঞ্জারে রয়েছে যেগুলি সম্পর্কে চট করে টের পাওয়া মুশকিল। যাঁরা টেকস্যাভি, এ সব তাঁদের বাঁয়ে হাত কা খেল। কিন্তু সকলেই জানেন, এমনটাও নয়।
১. কোথাও ফেঁসে গিয়েছেন? নিজের লোকেশন জানাতে চান বন্ধুকে? স্রেফ লোকেশন আইকন চাপুন।
২. বন্ধুদের নিজের মতো করে নাম দিতে চান? তা-ও সম্ভব। নোটিফিকেশন্‌স-এ গেলেই ‘‘নিকনেম’’ অপশন পাবেন। বাকিটা জলবৎ তরলম।
৩. বন্ধুর সঙ্গে দাবা খেলতে চান? চ্যাট বক্সে গিয়ে @fbchess টাইপ করুন।
৪. কেএলএম রয়্যাল ডাচ এয়ারলাইন্স ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বোর্ডিং পাস দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। শুধু তা-ই নয়, ফ্লাইট সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য পাওয়া যায় মেসেঞ্জারে। কে বলতে পারে, এই রাস্তা অন্য এয়ারলাইন্সগুলি নেবে না?
৫. ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে আপনি বন্ধুর হয়ে পেমেন্টও করতে পারেন। তিনটি ডট-এ ক্লিক করে ‘‘পেমেন্টস’’ অপশন বেছে নিন। প্রথমবার পেমেন্টের জন্য ডেবিট কার্ডের সঙ্গে কানেক্ট করতে হবে।
৬. প্রতিটি কথোপথনের রং পাল্টাতে পারবেন। ‘‘কনট্যাক্ট’’-এ গিয়ে ‘‘চেঞ্জ কালার’’ অপশন পাবেন।
৭. বন্ধুর মন খারাপ? মুড ভাল করতে চান? চ্যাট-এ গিয়ে @dailycute টাইপ করুন। দেখুন কী হয়!
৮. ধরা যাক, স্বামী বা স্ত্রীর পাশে বসে বন্ধুর সঙ্গে তেড়ে তাঁর সমালোচনা করছেন চ্যাটে। মাঝে একবার উঠেছেন, কোনও কাজে গিয়েছেন। প্রিভিউ সমালোচিত ব্যক্তির চোখে পড়ে গেল! ভাবতে পারছেন, কী হবে? সেটিংস-এ যান, নোটিফিকেশনস প্রিভিউ অফ করে দিন।
৯. এবারে একটি বাস্কেটবল ইমোজি পাঠিয়ে দেখুন বন্ধুকে। দু’জনে মিলে খেলতে পারবেন বাস্কেটবল।
১০. এবং সব শেষে, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই আপনি মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে পারেন। মেসেঞ্জার ইনস্টল করে ফোন নম্বর দিয়ে লগ-ইন করুন।